ছোটবেলা থেকে আমি একা একা থাকতে পছন্দ করি।তাই হয়ত স্কুল যিবন এর কোন আড্ডা কথা আমার মনে পরছে না। তবে সবার সাথে মেশা সুরু হয় কলেজ যিবন থেকে।মনে পড়ে সেই লাইব্রেরিতে ক্লাস বাদ দিয়ে আনেক আড্ডা দিতাম। নতুন বন্ধু বান্ধবী সাথে পরিচর।ভালই ছিল সময় গুলো।কেমন যেন সময় এর স্রতে সব হারিয়ে গেল। বিশ্ববিদ্যালয় চারুলার বিভাগে ভর্তি হই।আনেকের ধারনা বিশ্ববিদ্যালয় আন্য সব বিভাগের থেকে চারুকলা ছাএ ছাএী আনেক আড্ডাবাজ হয়।ঠিক তেমনি বলতে গেলে কথায় কথায় গান জুরে দেয়া গুচ্ছ গুচ্ছ আলোচনা করা আমি চারুলারয় দেখেছি। মনে হয় আড্ডা দেবার মাধ্যমে একটা লেনদেন তৈরি হয়।কথার লেনদেন কিছু দিলাম কিছু নিলাম। কিছু কিছু কথা যিবন পালটে দিতে পারে।
স্মরনিয় আড্ডা
আমার স্মরনিয় আড্ডা ছিল সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতে।
৮৫ জন এর একটা টিম চারুকলা থকে ঘুরতে যাই।ক্যাম্পাস এর সিনিয় জুনিয়র মিলে।
এখানে প্রতেকটা মূহুর্ত স্মরনিয় আমার জন্য তবে কিছু কিছু মূহুর্ত শেয়ার করছি আপনাদের।
👆এটা ক্যাম্পাস থেকে সেন্টমার্টিন যাএা শুরু আগে।
👆এই মূহুর্তটা ভাল লাগে আমার এক রুমের ভিতরে।সিনিয় জুনিয় এক সাথে সবাই গান করছে।
👆ভাল লাগার মূহুর্ত
👆 ❤❤বিশেষ মূহুর্ত এবং স্মরনিয় আড্ডা বলে মনে করি। এখানে সুধু আমার বন্ধুরা রয়েছে। যাদের সাথে আমি খুব সহজ এবং তাদের ছাড়া হয়ত সুন্দর মূহুর্ত পেতাম না। সব থেকে মজার বিষয় হল এই আড্ডা গান করার কিছু নিয়ম রয়েছে। একজন লিট গায়ক থাকে গান চলাকালিন সময় সে যদি ভুল করে গান থামালে চলবে না সেই ভুল গানি গেতে হবে তার সাথে। আর চারুকলা আড্ডা গানটা বেশি দেখা যায়।
সময় সাথে সব কিছু হারিয়ে যায় থেকে যায় রেখে যায় কিছু স্মৃতি।
একটা প্রচলিত কথা আছে মানুষ তার স্মৃতিতে বেচে থাকে।হয়ত আপনি কোন একদিন নাতি নাতিন দের বলবেন এই আড্ডার কথা।মানুষ তার যিবনে গল্প তৈরি করে।সেষ পর্যন্ত দেখবেন এই গল্প গুলো থেকে যায় থেকে যায় এই আড্ড গুলো মনে পড়ে স্মৃতি হিসেবে।
বস্তুগত জিনিস ক্ষণিক এর মাএ। ধন্যবাদ কে আমার স্মরনি আড্ডা বলার সুযোগ করে দেবার জন্য।