খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভাস্কর্যটির পিছনে রয়েছে একটি ইতিহাস।একটি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই ইতিহাসের সৃষ্টি হয়েছিলো। এটিতে দেখা যায় কিছু মুক্তিযোদ্ধা তারা কাধে কাঁধ মিলিয়ে হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করছে। বাংলাদেশের সকল পেশাজীবী মানুষ এক হয়ে সেদিন হানাদার বাহিনীর বিরদ্ধে যুদ্ধ করেছিল বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। তাদের অবদান বাঙ্গালিরা কখনও ভুলবে না । কারন তাদের কারনে আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। এই স্বাধীন রাষ্ট্র এমনি এমনি আসেনি । ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধ করে জিবনকে বাজি রেখে তারা এই স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল ।
তাদের স্মৃতিতে অনেক ভাস্কর্যের মধ্য এটি একটি চমৎকার ভাস্কর্য । এটির স্থপতি গোপাল চন্দ্র পাল । তিনি এটির নকশাতে অনেক সুন্দর নৈপুণ্য দেখিয়েছেন । এর বেসের চারিদিকে রয়েছে পাকবাহিনির ভয়াবহ হত্যা কাণ্ডের দৃশ্য, এক পাশে ১৬ ই ডিসেম্বর পাক বাহিনীর একে খান নিয়াজির আত্মসমর্পণের দৃশ্য জগজিত সিং আরোরার নিকট । অন্য পাশে রয়েছে জাতীয় চার নেতার ছবি যাদের কে জেলখানায় হত্যা করা হয়েছিলো ।
এখানে অনেকে ঘুরতে আসে আর মহান মুক্তি যোদ্ধাদের স্মরণ করে । আমি এখানে মাঝে মাঝে ঘুরতে যায় আর ছবি তুলি । অনেক ভালো লাগে যায়গাটি । এখানকার সিঁড়ি গুলোতে বিকালে বসে বেশ সময় কাটানো যায়। চারিকে গাছ আর মনোরম দৃশ্য থাকায় যায়গাটি বেশ জনপ্রিয়। আবার গাছের ছায়ায় সূর্যের প্রখর রোদও গায়ে লাগে না। ক্যাম্পাসের চারিদিকে আরও কিছু দর্শনীয় জায়গা রয়েছে । তার মধ্যে কটকা , শহীদমিনার , ভিসির বাড়ি ইত্যাদি।