হ্যালো বন্ধুরা
সবাই কেমন আছেন।আশা অরি সবাই ভালো।
বন্ধুরা আমি আজকে বাংলায় আরেকটি পোস্ট করলাম।আজকের বিষয়, বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালিন জাতীয় ফল কাঁঠাল।
আজ আমি কাঁঠালের কিছু ছবি তুললাম।আমি আমার ব্যবহৃত মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে কাঁঠালের ছবি তুললাম।ছবিগুলো আপনাদের মাঝে এখানে শেয়ার।
কাঁঠাল সম্পর্কে কিছু কথা
বন্ধুরা কাঁঠাল একটি গ্রীষ্মকালীন ফল।আর গ্রীষ্মকালিন এই ফলটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল।
গ্রীষ্মকাল মূলত আমাদের দুটি বাংলা মাস নিয়ে গঠিত।বাংলা মাস দুটি হলো বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ।বৈশাখ মাসে গাছে কাঁঠালের আগমন হয়।এবং জ্যৈষ্ঠ মাসে এটি পুরোপুরি খাওয়ার উপযোগী হয়।বন্ধুরা, কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম হলো: আর্টোকার্পাস হিটারোফিলাস।
ইংরেজি নাম হলো: জ্যাকফ্রুট (Jackfruit)।এটি মোরাসিয়া পরিবারের আর্টোকার্পাস গোত্রের ফল।
এটি আকারে অনেক বড় হয়।কাঁঠালের গায়ের রং হলুদ।বন্ধুরা গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে প্রচুর কাঁঠাল হয়।এছাড়া এশিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে প্রচুর কাঁঠাল হয়।
গাছে গাছে গ্রীষ্মকালীন ফল কাঁঠালের সৌন্দর্য্যে বাংলাদেশের গ্রামগুলো ছেয়ে যায়।কাঁঠালকে বলা হয় গ্রীষ্মকালীন রসালো ফল।গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের কৃষকরা কাঁঠাল চাষে আগ্রহী হয়ে থাকে।কৃষকরা গাছ থেকে কাঁঠাল সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে যায়।এ সময় অনেক কৃষকরা জীবিকা নির্বাহের জন্য কাঁঠাল দিয়ে ব্যবসা শুরু করে।এছাড়া বাংলাদেশের গ্রামগুলোর প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কাঁঠাল গাছ দেখা যায়।একটি গাছে প্রায় ৫০ থেকে ১০০ টা পর্যন্ত কাঁঠাল আসে।যেমন আমাদের বাড়িতেও এই কাঁঠাল গাছ রয়েছে।আমি আমার বাড়ির গাছ থেকে কাঁঠালের ছবি তুলেছিলাম।বন্ধুরা কাঁঠাল একটি মিষ্টি জাতীয় রসালো ফল।এটি একটি পুষ্টিকর ফল।এটি খেতে সুস্বাদু।আপনারা চাইলে গ্রীষ্মকালে এই কাঁঠালের স্বাদ নিতে পারেন।
আজ এ পর্যন্তই।সবাই ভালো থাকবেন।আবার দেখা হবে।