পড়া মুখস্ত করার কই একটি পদ্ধতি
পড়াশুনা করার পদ্ধতি একাকজনের একাক রকম। যার যেমন ভাবে পড়াশুনা মুখস্ত হয় । সে সেই ভাবেই পড়াশুনা করে থাকে । তার পরও আমি কিছু এই বিষয় নিয়া আলোচনা করলাম ।
১।জোরে জোরে পড়াশুনা করাঃ
অনেক ছাত্র আছে জোরে জোরে পড়াশুনা করে। জোরে জোরে পড়াশুনা করলে পড়া বেশি মুখস্ত হয় । আর পড়াশুনা মনযোগী হয় । জোরে পড়াশুনা করলে ঘুম ও আসে না পড়াশুনার ভিতরে। কিন্তু আমার দেখা মতে যারা জোরে পড়াশুনা করে তাদের পরিক্ষার রেজাল্ট খুব একটা ভাল হয় না । ওরা শুধু জোরে জোরে পড়াশুনা করে পড়া মুখস্ত করে কিন্তু বোঝে না। যদি পড়া গুলো বুঝে বুঝে পড়ে তাহলে অনেক ভাল ক্লাসে পড়া দিতে পারে এবং পরিক্ষাই ভাল রেজাল্ট করতে পারে । আমার দেখা মতে ভাল ছাত্ররাই একটি পড়া একবার রিডিং পড়েই পড়া মুখস্ত করে ফেলে ।
২। লেখালেখি করে পড়া মুখস্ত করাঃ
অনেক ছাত্র আছে যারা লেখালেখি করে পড়া মুখস্ত করে। আমার মতে পড়া মুখস্ত করার এটাই সেরা পদ্ধতি । কারন এই পদ্ধতি ব্যাবহারে পড়া মুখস্ত হয় দ্রুত এবং মনে থাকে বেশি। আবার আর সুবিধা হল হাতের লেখাটাও অনেক সুন্দর হইয়া যাই । এবং দ্রুত লেখার অভ্যাসটা হইয়া যাই । অনেকে আছে যারা লেখা লেখির অভাবে হাতের লেখার তেমন অভ্যাস থাকে না। এবং পরিক্ষার দিতে গিয়া সময় পার করে ফেলে কিন্তু লেখা শেষ করতে পারে না। আবার হাতের লেখা তেমন সুন্দর করতে পারে না। আবার লেখার সাথে পড়া মুখস্ত করলে অনেক দিন পড়া মনে থাকে ।
৩। পড়াশুনা করার সময় ঘুম এড়ানোর পদ্ধতিঃ
অনেকে আছে যাদের পড়ার সময় ঘুম আছে। বেশি পড়াশুনা করতে পারেনা এই ঘুমের কারনে। এদের জন্য কিছু আলোচনা করছি। এরা পড়ার সময় টেবিল এ বসে পড়াশুনা করবে। পড়ার সময় মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। আর যখন ঘুম ঘুম ভাব আসবে তখন গণিত সাবজেক্ট নিয়া অংক করতে হবে । তাহলে অনেকটা ঘুম থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। আর কখনও খাটে বসে পড়াশুনা করবেন না। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসবে।