নিচে কয়েকটি বিদেশি জাতের মুরগির পরিচিতি সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো-
নিউ হ্যাম্পশায়ার জাতের মুরগির পরিচিত
আমেরিকার এ জাতটি রোড আইল্যান্ড রেড জাতের সাথে অন্য জাতের মুরগির মিলন ঘটিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। অস্বাভাবিক কষ্ট সহিষ্ণুতা এ জাতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এদের পালকের রঙ তামাটে লাল এবং রোড আইল্যান্ড রেড এর চেয়ে আরও উজ্জ্বল হয়। মুরগির কাঁধের নিচে পালকের শেষ দিকে কালো হয়। এদের পায়ের রঙ ও গায়ের চামড়া হলুদ হয়, মাথার ঝুঁটি একহারা হয়। এ জাতের মুরগির বাচ্চা তাড়াতাড়ি বাড়ে। তিন মাস বয়সেই ওজন দেড় থেকে দুই কেজি হয়। তাই মাংসের জন্য এ জাত বেশি ভাল। এরা অল্প বয়স থেকেই ডিম দিতে শুরু করে। ডিমের রঙ বাদামি রঙের হয়। এ জাতের মোরগ ৩.০০ থেকে ৪.০০ কেজি এবং মুরগি ২.৫ থেকে ৩.০০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। এ জাতের মুরগি বছরে ১০০ থেকে ১৬০ টি পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে। বর্তমানে ব্রয়লার হাইব্রিড মুরগি তৈরি করতে এদের ব্যবহার করা হয়।
কোচিন জাতের মুরগির পরিচিতি
এশিয়াটিক জাতের মধ্যে কোচিন মুরগি আকারে খুব বড় হয়। মাংসের জন্য এদের পালন করা হয়। ডিম উৎপাদনের হার কম। ডিমের রঙ বাদামি। এদের মাথার ঝুঁটি একহারা ও ছোট। কানের লতি লাল, চামড়া হলুদ, পায়ের পাতা পর্যন্ত পালকে পরিপূর্ণ। মোরগ ৪ কেজি ও মুরগি ৩ কেজি পর্যন্ত হয়। ব্রয়লার হাইব্রিড তৈরি করতে এ জাত ব্যবহার করা হয়।
ব্রহমা জাতের মুরগির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ভারতের ব্রক্ষপুত্র নদের সন্নিহিত অঞ্চল এ জাতের মুরগির আদি বাসস্হান। এদের আকার বেশ বড় এবং ওজনে ভারী হয়। দেহ ঘন পালকে ঢাকা। মাথায় মটর ঝুঁটিই এ জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ডিমের রঙ ধূসর, মুরগি ডিম পাড়ার পর তা দিতে বসে। এজন্য এরা ডিম উৎপাদনকারী জাত হিসেবে ভাল নয়। মুরগির ওজন ৪ কেজি ও মোরগের ওজন ৫.৫ কেজি পর্যন্ত হয়।
তাই আসুন মুরগি পালন করে নিজে লাভবান হই পাশাপাশি পরিবারের খাদ্যের চাহিদা হিসেবে মাংস ও প্রোটিনের অভাব পূরণ করে দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূর করি।