মুসলিম নারীদের শাড়ি নয়, বাধ্যতামূলকভাবে বোরখা পরতে হবে৷ এমনই মত দিয়েছেন পাকিস্তানের জামিয়ার উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ)-এর সেনেটর মুফতি আবদুল সাত্তার৷ বিরোধী মুত্তাহিদা কোয়ামি (এমকিউএম) সেনেটর নাসরিন জালিলের পরনের শাড়ি লক্ষ্য করে এমন কটু মন্তব্য করেন তিনি৷
মুফতি আবদুল সাত্তার বলেন,
‘এমকিউএম-র সেনেটর জনপ্রতিনিধি নাসরিন জালিল ৷ তিনি যা পড়বেন, মানুষ তাকেই অনুসরণ করবে৷ তাই মুসলিম নারী হিসেবে তার শাড়ি পরা উচিৎ হয়নি৷ তার অবশ্যই বোরখা পরা উচিত ছিল৷ মুসলিম নারী হিসেবে তার উচিৎ ছিল শরীরের প্রতিটি অংশ ঢাকা৷ যা তিনি করেননি৷’
অপর দিকে , সৌদি আরবের শীর্ষ একজন ধর্মীয় নেতা বলেছেন,
সেদেশে মেয়েদের 'আবায়া' বা বোরকা পরতেই হবে এমন কোন ব্যাপার নেই। মেয়েদের আব্রু বজায় রেখে পোশাক পরতে হবে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাদের আবায়া পরতে হবে।
সৌদি আরবে মেয়েরা পা পর্যন্ত পুরো শরীর ঢেকে রাখা যে ঢিলেঢালা আচ্ছাদন ব্যবহার করে, তাকে আবায়া বলে। সেখানে আবায়া না পরে বাইরে যেতে দেখা যায় কম নারীকেই। সেখানে এটি পরা আইনত বাধ্যতামূলক।
শেখ আবদুল্লাহ আল মুতলাক শুক্রবার বলেন,
মুসলিম বিশ্বের ৯০ শতাংশ মহিলাই 'আবায়া' পরেন না। কাজেই আমাদেরও উচিৎ হবে না মেয়েদের এটা পরতে বাধ্য করা।
আপনি কাকে সমর্থন করেন ? সৌদি আরবের ধর্মীয় নেতা যা বলেছেন নাকি পাকিস্তানের জামিয়ার উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ)-এর সেনেটর মুফতি আবদুল সাত্তারকে ! কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন ।
আমার লেটেস্ট পোস্টঃ রোহিঙ্গা হত্যা