অামি অান্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এ "কুরঅান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ" ৪র্থ বর্ষের একজন ছাত্র। কুরআন হাদীসের ছাত্র হিসেবে অাজ থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম স্টিমিটে ধারাবাহিকভাবে কুরঅান হাদীস ও সমসাময়িক জ্ঞান বিজ্ঞানের সামঞ্জস্যপূর্ন দিকগুলো নিয়ে অার্টিকেল লেখবো।
অাজকের বিষয় "খাবার গ্রহনে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি"।
খাদ্য গ্রহন করার ব্যাপারে মহান অাল্লাহ সূরা অারাফের ৩১ নং অায়াতে উল্লেখ করেন,
"তোমরা খাও এবং পান করো তবে অপচয় করোনা। নিশ্চই তিনি অাল্লাহ অপচয় কারীকে অপছন্দ করেন।
রাসূল (সা:) হাদীসে ইরশাদ করেন:
"অাদম সন্তান যে সমস্ত পাত্র ভর্তি করে, তার মধ্যে সবচেয়ে মন্দ পাত্র হলো - তার পাকস্থলী। অাদম সন্তানের জন্য কয়েক লুকমা (গ্রাস) খাবারই যথেষ্ট। তারপরও যদি প্রয়োজন হয় তাহলে পাকস্থলীর তিনভাগের একভাগ খাদ্য গ্রহন করবে, একভাগ পানি পান করবে অার এক ভাগ অক্সিজেনের জন্য ছেড়ে দিবে"। -ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৩৩৪৯
কয়েকটি শব্দ সংবলিত উপরোক্ত কুরঅানের অায়াত ও হাদীসদ্বয় হয়ে উঠতে পারে অাপনার সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি যদি অামরা তা মেনে চলতে পারি। কারণ অতিভোজন স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানেও সর্বজনস্বীকৃত। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহনে হজমের সমস্যা অার স্ট্রোক করার ঝুঁকি থাকে। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহন করার ফলে পাকস্থলী অতিরিক্ত চাপ সহ্য করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এরপর এটি ব্রেনে সিগনাল পাঠায় অার অতিভোজনকারীর স্ট্রোক সংগঠিত হয়। অবশেষে তিনি মৃত্যর সম্মুখীন হয়।
১৪০০ বৎসর অাগের বাণীগুলির দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে মনে হয়, যেন সেগুলি এখন বলা হয়েছে। অাল্লাহ যথার্থই বলেন, "অামি অাপনাকে বিশ্বজগতের জন্য অনুগ্রহ হিসেবে প্রেরণ করেছি"।