বারবার করে ঘোরাঘুরি করে ওই এক জালনার পাশে বসতে হয়।কেমন জানি এক ঘোরের টানে বারবার করে ফিরে আসা।এদিক ওদিক ত ্যেতেই হয় যতই হই না আমি একা তবুও কি জানি এক যেন টান আছে ওখানে।তাওত কত যে কাজ করতে হয় তার সীমানা নেই।প্রায়
১০০ বারের মত দরজাটা খুলতে হয়।কাজের মহিলার পিছনে থাকতে হয় অনেক সময়।
না হলে কি জানি কি করে। কিন্তু সে আর কতক্ষনই বা থাকে ।এরপর সেই জানালার পাশে
এসেই বসতে হয়।অফুরন্ত সময়ে মাঝে কত সময় যে ওই জানালার পাশে বসে কাটিয়েছি তার কোন সীমা নেই।অথবা গোটা দিন্টাই পার করে দিয়েছি কেই বা বলতে যায় যে কেন তুমি ওই খানে
বসে আছ আর বললেই বা কে তার কথা শুনছে।
কিন্তু এতকিছুর মাঝেও ঐ যে কেউ বলবে কেন তুমি ওই জানালার পাশে বসে আছ,এই প্রশ্নটাকে বরই মনে করি।আগে যখন কেউ জানতে চাইত কাউকে পাত্তা দিতাম না কিন্তু এখন ঐ প্রশ্নই আমাকে ভাবায়।কেন সেই সময় আমি তাদের দাম দেই নাই এই ভাবতে ভাবতে আমার আরো দিন কেটে যায়।হঠাৎ করে জানালার পাশে কীদের যেন একটা শব্দ
খেয়াল করলাম।আগেও হয়েছে কিন্তু পাত্তা দেই নি আজ মনে হচ্ছে শব্দটা অনেক বেড়ে গেছে না কি আমার মনের ভুল ঠিক বুঝতে পারছি না।শব্দটা কি খালি আমিই পাচ্ছি না কি অন্য মানুষেরাও পাচ্ছে।যদি তারা পায় তাহলে তার প্রতিবাদ করে না কেন কেউ ক্কি পাত্তা দেয় না।কারো কি মাথা ব্যাথা নেই।কেনই বা করবে টাকা যার বেশি জোরও তার তত বেশি।টাকা ওয়ালা মানুষ খানি শব্দ কেন জা এত সময় আছে সবাইত তাদের নানা কাজের জন্য দৌড়ায় কিন্তু আমার কোন দৌড় নেই আমি সবসময় আমার মত।ব্যসস্তা নাই তাই ক্লান্ত নেই তাই দুই চোখে ঘুমও আসে না তার জন্যই শব্দটা আমার কানে সবার আগে এসে পৌছেছে।মনে হল কেউ ্যেন দেয়ালে কিছু ঘষছে ঠিক বুঝতে পারলাম না ।শব্দটা বেড়েই চলেছে...।।আমি ধরেই
নিলাম এই কাজ আমার পাশের প্রতিবসীদের।মনে মনে তাদের একটু গালিও দিলাম...একবার
ভাব্লাম তাদের মানা করি আবার ভাব্লাম কাকে মানা করব কাকেই বা আমি চিনি আমার ফ্লাটের পাশে আরো পাঁচটি ফ্লাট আছে।কাকে বাদ দিয়ে আমি কাকেই বা বলব আর কি না কি মনে করে কেই জানে।আমার পাশের একটা ফ্লাটে এক পরিবারের ওরা তিনজন থাকে কিন্তু মা আর ছেলেটা বোবা কেউ কথা বলতে পারে না।সৃষ্টি কর্তার কি লীলা ।মাঝে মাঝেয়ামি তাই ভাবি যে যারা কথা বলে তাদের কথা বলার কারনে আমরা কানে আঙুল দিয়ে রাখি আর এই
মাছুম বাচ্চাটা কি দোষ করেছে সে ছাড়া আর কেঊ জানে না।তার পাশে এক পরিবারের
খালি স্বামী আর স্ত্রী দুই জনেই শিক্ষক সারাদিন বাসায় থাকেন না।রাতের দিকে আসেন।মাঝে মাঝে
এক ধরনের অন্য ভাষায় তারা উচ্চসরে কথা বলে।এতকিছু আমি জানি কী ভাবে...আমার আছে ত ওই এক মাত্র জানালা।সারাদিন বসেত থাকি তাকে ধ্রে আর দেখি মানুষ গুলো কত না ব্যাস্ত.
(ছোট গল্প)