আমাদের কারো আর একটি কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে টেলিভিশন বিষয়টি আমাদের জিবনের অংশ হয়ে গেছে। জোর করে বা
রাগ করে টেলিভিশন থেকে দূরে থাকা যায় কিন্তু যারা সেটি করবে সমাজ সবাই তাকে বাতিকগ্রস্থ হিসেবে দেখবে।কাজেই একজন মানুষ
কতটুকু টেলিভিশন দেখবে কিংবা কী টেলিভিশন দেখবে সেটা নিয়ে একটু চিন্তাভাবনা করা খারাপ কিছু না।
আমি সবসময় বইয়ের সাথে টেলিভিশনের তুলনা করে বলতে চাই যে,দুটোরি কোন তুলনা হয় না।বই হচ্ছে একটি সূক্ষ বিষয় ,
টেলিভিশন তার তুলনায় ভয়াবহ রক্মের স্থূল।বইয়ের বিষের লেখা দেখে আমাদের সব বিষয় কল্পনা করতে হয়।ভালো একজন লেখক তার
লেখা দিয়ে মানুষ্কে তার কল্পনার জগতে নিয়ে যেতে পারেন।টেলিভিশ্ন তার তুলনায় নিচু শ্রনীর একটি ব্যাপার। আমরা কোথায় কী হচ্ছে তা
দেখতে পাচ্ছি,শব্দ দিয়ে তা শুনতে পাচ্ছি,আবহ সঙ্গীত দিয়ে সেখানে আমার আনুভূতিকে দখল করে নেওয়া হয়।একটি বই পড়ার সময়
আমি আমার সব মনযোগ সেখানে দেওয়ার চেষ্টা করি কিন্তু টেনিভিশ্ন দেখার সময় আমি যেন তার উলটো টা করি ,টেলিভিশনে কি
হচ্ছে আমার মনযোগ জোর করে তার দখলে নিতে পারে তার চেষ্টা করা হছে । বই পড়ার সময় আমরা একধরনের উচু মাপের মনযোগের
বা পতিক্রিয়ার ভিতর থেকে যাই কিন্তু টেলিভিশন দেখার সময় সেই পতিক্রিয়াটি যায় অনেক নিচু মানের ভিতর দিয়ে।
কাজেই আমার মতে মানুষ যত কম টেনিভিশ্ন দেখবে তার জন্য তত মঙ্গল।
যেসব বাবা মা তাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে বা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে তারা যদি টেলিভিশন দেখার মাঝে এক
ধরনের নিয়ন্ত্রন আনতে পারেন তাহলে একটা বিশাল উপকার হবে। আমাদের দেশে বর্ত্মানে আরেক ধরনের সমস্যার আর্ভিভাব হয়েছে তা
হল হিন্দির আগ্রাসন । আমি মাঝে মাঝে এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে থাকি তা হল যদি হিন্দি ভাষা লেখার জন্য বাংলা বর্ন ব্যবহার করা হত
তাহলে কী না সর্বনাশ হত।আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য যে বাংলা ভাষা,বাংলা বই আছে সেটাও বুঝি হিন্দি ভাষার দখলে এসে যেত