কোনো এক অন্ধকারে আমি
যখন যাইব চলে–আরবার আসিব কি নামি
অনেক পিপাসা লয়ে এ মাটির তীরে
তোমাদের ভিড়ে!
কে আমারে ব্যথা দেছে–কে বা ভালোবাসে–
সব ভুলে, শুধু মোর দেহের তালাসে
শুধু মোর স্নায়ু শিরা রক্তের তরে
এ মাটির পরে
আসিব কি নেমে!
পথে পথে–থেমে–থেমে–থেমে
খুঁজিব কি তারে–
এখানের আলোয় আঁধারে
যেইজন বেঁধেছিল বাসা!
মাটির শরীরে তার ছিল যে পিপাসা
আর যেই ব্যথা ছিল–যেই ঠোঁট, চুল
যেই চোখ, যেই হাত, আর যে আঙুল
রক্ত আর মাংসের স্পর্শসুখভরা
যেই দেহ একদিন পৃথিবীর ঘ্রাণের পসরা
পেয়েছিল–আর তার ধানী সুরা করেছিল পান,
একদিন শুনেছে যে জল আর ফসলের গান,
দেখেছে যে ঐ নীল আকাশের ছবি
মানুষ–নারীর মুখ–পুরুষ–স্ত্রীর দেহ সবই
যার হাত ছুয়ে আজও উষ্ণ হয়ে আছে–
ফিরিয়া আসিবে সে কি তাহাদের কাছে!
প্রণয়ীর মতো ভালোবেসে
খুঁজিবে কি এসে
একখানা দেহ শুধু!
হারায়ে গিয়েছে কবে কঙ্কালে কাঁকরে
এ মাটির পরে!