#আসসালামুআলাইকুম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন,আজকে আমি ২০১ গম্বুজ মসজিদ ভ্রমনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো।
আমরা ছিলাম ১২ জন, একটা হাইস গাড়ি ভাড়া করেছিলাম ৭০০০ টাকা। আমাদের ভ্রমন প্লানিং ছিল
১। ২০১ গম্বুজ মসজিদ
২। মহেরা জমিদার বাড়ি
৩।ধনবাড়ি জমিদার বাড়ি
৪।যমুনা ব্রিজের পাশে একটা পার্ক (যমুনা ইকো পার্ক)
৫। এক ভাই এর শশুর বাড়ি
একদিন এর টুর এ এতোগুলো স্পট দেখা সম্ভব হয় না।তাই আমাদের কপালে দুইটা স্পট ছাড়া আর কিছুই জুটেনাই। আমারা ভোর ৭টায় গাড়ি ছাড়ি ১০টার সময় গিয়ে পৌছায়।যখন যমুনা নদী রাস্তার পাশে দেখলাম অন্যরকম অনুভুতি কাজ করছিল।মসজিদ দেখা শেষ করে রওনা দিলাম যমুনা ব্রিজ দেখার জন্য। যাবার সময় রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল। যমুনা নদীর পাড়ে পার্ক আছে সেখান থেকে ব্রিজ ভাল ভাবে দেখা জায় কিন্তু কপাল খারাপ পার্ক এ যেতে দিল না কি যেনো একটা সমস্যা ছিল। তখন দুপুর হয়েছে, রওনা দিলাম ভাইয়ের শশুর বাড়ি সেখানে যেতে সন্ধে হয়ে যায়, বৃষ্টিতে ভিজতে হয়েছে সবাইকে, রাস্তায় কাদা ছিল।
আমাদের জন্য রান্না করে রেখেছিল, দুপুরের খাবার রাতে গিয়ে খেলাম। খাবার শেষে আবার বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।
টাঙ্গাইল থেকে আসার সময় পোড়া বাড়ির মিষ্টি নিয়ে আসি বাসার সবার জন্য
#২০১ গম্বুজ মসজিদ
টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার পাথালিয়া গ্রামে অবস্থিত। পৃথিবিতে সবচেয়ে বেশি গম্বুজের দিক থেকে এই মসজিদ প্রথম স্তানে রয়েছে এবং মিনারের উচ্চতার দিক থেকে ২য় স্তানে আছে।মসজিদটিতে ২০১ টি গম্বুজ রয়েছে। তার জন্য মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে ২০১ গম্বুজ মসজিদ।
গম্বুজটি উচ্চতায় ৮১ ফুট এবং এই গম্বুজের চারপাশকে ঘিরে ১৭ ফুট উচ্চতার আরো ২০০টি গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে।
মসজিদের চার কোণায় ১০১ ফুট উঁচু ৪টি মিনার মিনার রয়েছে। এছাড়াও ৮১ ফুট উচ্চতার চারটি মিনার পাশাপশি স্থাপন করা হয়েছে। আর মসজিদের পাশে মূল মিনারটি নির্মাণ করা হয়েছে, যার উচ্চতা ৪৫১ফুট।
মসজিদটিতে এক সাথে ১৫ হাজার মুসল্লি নামায আদায় করতে পারবে।মসজিদের প্রধান দরজায় ৫০মণ পিতল ব্যাবহার করা হয়েছে।মসজিদটি ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ১৫ বিঘা জমির উপর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়।গম্বুজগুলো সোনালি কালার রং করা হয়েছে। মসজিদটি দেখে যে কারো কাছে ভাল লাগবে মন ভরে যাবে। মসজিদ এর পাশেই রয়েছে ছোট্র একটা নদী।
মসজিদটি নির্মাণ করতে প্রায় ৬ বছড় লেগেছে।
এছাড়া রয়েছে মাদ্রাসা,এতমখানা, মাতৃসনদ হাস্পাতাল,লাশ রাখার হিমাগার ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা।
টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে সকালের নাস্তা বিরতি
ধন্যবাদ সবাইকে।
ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন,
নিরাপদে ঘরে থাকুন।
আল্লাহ হাফেজ।