বন্ধুরা অনেক দিন ফিরে এলাম তোমাদের মাঝে।আসলে প্রকৃতপক্ষে আমরা অনেক ব্যস্ততার কারণে যথেষ্ট সময় দিতে পারি না আমাদের এই সোশ্যাল মিডিয়াতে।তার পরেও কিছু সময় বের করে নিয়ে আমাদের এখানে এসে যোগাযোগ করতে হয় কেননা এটা হচ্ছে আমাদের জীবনের একটি অংশ।
কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক আমার আজকের এপিসোড সম্পর্কে।আমি আজ তোমাদের সামনে কথা বলব বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে।
আমরা আমাদের জীবিকা নির্বাহ করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের কল-কারখানা শিল্প-কারখানায় কাজকর্ম করে থাকি।পাটকল থেকে শুরু করে বৃহত্তম পোশাক শিল্প কারখানা তৈরি এবং বড় বড় রাসায়নিক কারখানা যেয়ে কারখানায় তৈরি করা হোক না কেন সেই কারখানাতে আমরা বিভিন্ন সময় ধরে কাজ করে থাকি।দিনের প্রায় বেশিরভাগ সময়টাই আমরা এসকল কারখানাতে আমাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য চাকরি কিংবা কর্মরত অবস্থায় থাকে।কিন্তু এ সকল কওয়া কারখানায় চাকরি করতে গিয়ে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
বিশেষ করে একটি কথাই না বললে নয় আর সেটি হচ্ছে আগুন সম্পর্কে।যদি আমাদের বাংলাদেশের কথাই বলি তাহলে দেখা যাবে যে বাংলাদেশে গড়ে প্রতি বছর প্রায় 15 থেকে 20 টি ফ্যাক্টরি আগুনে বিধ্বস্ত হয়ে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়।কেননা সে সকল ফ্যাক্টরিতে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা হয় না এবং যথেষ্ট পরিমাণে ভালো মানের কোন হাইডেন গ্যাস কিংবা আগুন নিয়ন্ত্রক কোন প্রকার পদার্থ সেখানে থাকে না।সুতরাং ফায়ার সার্ভিস খবর পেতে পেতে পুরো এলাকা পড়ে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং অনেক ঘরবাড়ি এবং বাসাবাড়ির আশেপাশের ফ্যাক্টরিগুলো পড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
এসকল সমস্যার সমাধান যদি আমাদের অনেক কিছু কর্তব্য এবং দায়িত্ব রয়েছে।আমরা যদি এ সকল দুর্ঘটনা এবং অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে সকল দুর্ঘটনা এড়াতে হলে প্রতিবছর আমাদের দেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক পিছিয়ে যাবে এবং আমরা অনেক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।তাই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষকে শুরু করতে আমাদের সকল ফ্যাক্টরিতে যাতে হানডেট পারসেন কমপ্লায়েন্স অনুমোদিত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ফায়ার হাইড্রেন গ্যাস ফায়ার হাইড্রেন্ট ইলেকট্রিক্যাল প্যানেল স্থাপন করা হয় তাহলে আমরা হয়তো বা এসকল সমস্যার সমাধান থেকে রেহাই পেতে পারি।তবেই আমাদের শ্রমিক এর সঠিক নিরাপত্তা দিতে পারব এবং দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করতে পারব।দেশে প্রায় গড়ে প্রতি বছর 1.5 মার্কিন ডলার বাদ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সম্পত্তি বস্তুর সম্মুখিন হয় এবং আমরা বিরাট একটা সংকটের সম্মুখীন হয়ে থাকি
এসকল সংকট এড়াতে আমাদের অবশ্যই প্রতিটি ফ্যাক্টরিতে ফায়ার হাইড্রেন্ট গ্যাস ইলেকট্রিক্যাল প্যানেল বোর্ড এবং অন্যান্য যেসকল অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র আছে সেগুলো ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণাধীন সেগুলো ব্যবহার করে আমাদের নিজের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং আমাদের সকল ধরনের ফ্যাক্টরি গার্মেন্টস পোশাক এবং অন্যান্য রাসায়নিক অন্যান্য যে কোন ফ্যাক্টরি আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে তবেই হবে দেশের একমাত্র উন্নয়ন সাধন এবং দেশের বড় ধরনের পাওয়া।তাছাড়া অবশ্যই আমরা পতিত হবার দিনে দিনে বড় ধরণের ঝুঁকির মধ্যে এবং আমরা অবশ্যই নিজের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বাধা গ্রস্থ হব।
সুতরাং সকলের উচিত নিজের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিটি ফ্যাক্টরিকে যেমন বিশেষভাবে নিরাপত্তা দিতে হবে তেমনি দিতে হবে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। তবেই তো দেশে সঠিক এবং সুন্দর ভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
শীতে তথ্য
উপরে যে ছবি গুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো সব সবগুলো আমার নিজের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।আমি প্রতিদিন রাত আটটায় আমার অফিসে ঢুকেই এবং পরের দিন সকাল 8 টায় বের হই মোট 12 ঘন্টা ডিউটি করতে হয়।এমন সময় যদি আমার নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমি কখনোই সেখানে সঠিক এবং মন দিয়ে কাজ করতে পারব না ফলে দেশের অর্থনৈতিক ইউসুফ ব্যাঘাত ঘটতে পারে।আমি মনে করি যে একটি শ্রমিকের যতটুকু নিরাপত্তার প্রয়োজন সেটুকু নিরাপত্তা আমার অফিস থেকে আমাকে দেওয়া হয় তাই আমি খুব স্বাচ্ছন্দে এবং আনন্দের সাথে কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারি এবং আমার অফিসের কাজ ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকতে পারি।ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এবিসি এবং সব ধরনের আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য সঠিক এবং সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এখানে উল্লেখ্য যে কখনো এখানে ধূমপান করা যাবে না।কেননা বড় বড় গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে পুরো ফ্যাক্টরিটা ইলেকট্রিক তারের মাধ্যমে পেছনে থাকে। তাই কোনভাবেই আগুনের স্পর্শ করা যাবে না এবং কোন প্রকারের ধাতব পদার্থ ব্যবহার না করাই উত্তম।
তো বন্ধুরা অবশেষে বলতে চাই
নিজের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে অবশ্যই সঠিক এবং সুন্দর ভাবে কাজ করতে হবে এবং তার সাথে খেয়াল রাখতে হবে নিজের নিরাপত্তা। কেননা বাংলাদেশের 75 ভাগ মানুষ এই দিনমজুর। এ দিনমজুর মানুষগুলোর একমাত্র সম্বল হচ্ছে তাদের নিজের দেহ।সুতরাং সর্বপ্রথম নিজের দেহকে কন্ট্রোল এবং সুন্দর করে রাখতে পারলেই নিজের স্বাস্থবতী এবং দেশের শাসকদের আনয়ন করা সম্ভব।