ফজরের আজানের পর পাখির ডাক, গোয়ালের গরুর ডাক ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।গাছপালাও জাগে কিন্তু হয়তো টের পাই না, সম্পর্ক এখনো গাড়ো হয়ে ওঠে নি তাই হয়তো।
সকাল বেলা উঠতে আমার বরাবরই ভালো লাগে, অনেকে হয়তো এই যুগের বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অনিহা প্রকাশ করবে, তবুও আমি সকালেই উঠি ভালো লাগে সকলের সাথে জাগতে।
সকালে উঠে প্রথম কাজ পানি পান করা।বলা হয়ে থাকে, শুধুমাত্র দিনে নিয়মিতো পরিমিত পরিমানে পানি পান করলে অর্ধেক রোগ ভালো হয়ে যায়।
যেহেতু সকালে মর্নিং জগিং আমার একটা হ্যাবিট গতো দুই বছর যাবত তাই লো কার্বস এবং অত্যাধিক ইলেক্ট্রোলাইটে ভরপুর "কলা" খেয়ে জগিং শুরু করি
'কলা' সহযপাচ্য হওয়ায় খুব সহযেই শরীরের রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ করে শক্তির যোগান দেয়
আমার বাসা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে হবার জন্য একটা উদ্যান আমি পেয়েছি যেখানে প্রকৃতিকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।এদিকে করোনা ভাইরাসের কারনে লকডাউনের জন্য মানুষের পপদচারনা কম হবার ধরুন প্রকৃতি যেনো নিজের রোগ নিজে সারাচ্ছে
প্রত্যেকটা লতায় প্রানের উৎসব দেখে আমার আনন্দিত হই, প্রেমে পরে যাই
এভাবেই জগিং করতে করতে আমি চেন্ট্রাল ফিল্ডে পৌছাই।গাসের ওপর শিশির বিন্দু এখনো হয়, এখনো সূর্যের আলো তাতে কিরন ছড়ায়।দেখে মনে হয় এখনো প্রাণ আছে এখনো আশা আছে
সূর্য তোখনো পুরাদমে তার আলো ছড়াচ্ছিলো নাহ।ইদানীং খেয়াল করি, সূর্যের তাপ প্রখর থেকে প্রোখোরোতরো হচ্ছে। সূর্যরশ্মি কোষের নিউক্লিয়াস পর্যন্ত ঢুকে যায়, মনে হয় মানবজাতি প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ইভোলিউশন ঘটাতে পারছে নাহ, ডারউইন কি তাহলে ভুল!
এইসব চিন্তা করতে করতে তালগাছ আর সূর্যের মেলবন্ধন চোখে পরে যায়।
বড়ি ফিরছিলাম তখন, লকডাউনের কারনে মাঝে মাঝে মিস হয়ে যায় সকাল বেলার ভ্রমণ। পুরানো জিনিস নতুন করে পাবার আনন্দ থেকে যায় মনে
এর পর নিত্যদিনের দিন শুরু হয়ে যায়।
কমেন্ট সেকশনে জানাবেন আপনাদের দিনের শুরুটা।
ধন্যবাদ