অালতা রাঙ্গা দুটি পা-
পরনে লালপেড়ে শাড়ি,
ডাগর চোখে চেয়ে সে
আমার পরাণ নিলো কাড়ি।
নদীর তীরে অালতো পায়ে-
হেলেদোলে হাটে যখন সে,
এলোকেশে শুভ্রবেশে যখন সে অাসে-
মনেহয় স্বর্গের হুরপরী ধরায় এসেছে।
যাদুমাখা মুখের হাসি-
আমারে করলো উদাসী,
শুনো ওগো প্রাণের প্রেয়সি-
আমি যে তোমারে বড় ভালোবাসি।
চঞ্চলা চপলা ওগো মায়াবিনী-
মায়াজালে অামায় করলে বন্ধি,
জীবন অামার অপূর্ণ রবে-
তোমাকে না পাই যদি।
যতফুল ফোটে অাছে বাগানে-
যত পাখি গেয়ে যায় গান,
পৃথিবীর সব অর্ঘ্য সব সুর-
তোমাকে করতে চাই দান।
মধুমাখা কথা বলে প্রাণ কেড়ে নাও-
আমার আপন তুমি পর কেউ নও,
কলকল সুরে বহে সাগরের ঢেউ-
তোমার চলার ছন্দ তা জানেনা তো কেউ।
দেহের বাকেবাকে মনের ভেতর-
নবযৌবনা সে কাঁপে থরথর,
যা দেখে কবিমনে বয়ে যায় ঝড়-
অালতো ছো্ঁয়ায় তারে করবো অাদর।
যদি তুমি অামার হও জীবন হবে মধুময় -
ভগ্নহৃদয় খুঁজে পাবে নতুন ঠিকানা,
নতুন ঝর্ণাধারা বয়ে যাবে নিশ্চয়-
মিঠবে জীবনের সব কামনা-বাসনা।