আম হল ফলের রাজা। বর্তমানে আমাদের দেশে আম পাকার আগেই বাজারে দেখা যাচ্ছে নানা আমের সমাহার।বিভিন্ন নামে যেসব আম বিক্রি হচ্ছে তা মোটেও গাছ পাকনা আম নয় বরং বিভিন্ন ক্যামিকেল এর সংমিশ্রণ এ কাচা আম পাকানো হচ্ছে।যা আমাদের শরীর এর জন্য মোটেও ভাল না
বাংলাদেশ এ বিভিন্ন জায়গায় আম এর ফলন জাত বেশি হয় বিশেষ করে রাজশাহীতে।
তাই আম সম্পর্কে, বিশেষ করে উৎকৃষ্ট জাতের আম নিয়ে রাজশাহীবাসীদের আগ্রহ ও সচেতনতা জন্মগত। কিন্তু তাদের ভাস্যমতে মে মাসের দিকে পাকনা আম বাজারে আসার কথা নয়।
দেখা যাচ্ছে খুলনার বাজারে আসছে সাতক্ষীরা ল্যাংড়া আম।মূলত সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালীগঞ্জ ও কলারোয়া উপজেলা এলাকার দিকে আমের চাষ হয়। সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা থানা থেকে অধিকাংশ আম আসে। প্রথম প্রথম ধারণা জন্মায়, সাতক্ষীরার ল্যাংড়া হয়তোবা বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকা, বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর কিংবা দিনাজপুর অঞ্চলে উৎপাদিত ল্যাংড়া আমের চেয়ে অনেকটাই আশু বা আগাম পরিপক্বতা লাভ করে। এ ধারণা নিয়ে বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলো।
রিপোর্ট
আম বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জানে বাংলাদেশ এর রাজশাহী বিভাগের মানুষ। কারন অনেক ভাল জাতের আম ওখানে পাওয়া যায় মানে ফলন হয়।তাই তাদের কাছে প্রশ্ন ছিল যে এখানকার যে হিমসাগর আম তা কখন ফলে।
তারা উত্তর দিয়েছিল জুন মাসের মাঝের দিকে।কিন্তু দেখা যাচ্ছে মে মাসের মাঝেই আম বাজারে।যা অবাস্তব। কিন্তু না তাই সত্যি কারন এখানে আম পাকানো হয়।যার কারন মূলত অধিক লাভ।আগাম আম দেখে সবাই আম কিনতে চাইবে এবং কিনবে। কিন্তু সেই আমে কোনো প্রকার কিছুই নেই।
বাংলাদেশের অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমগুলোর মধ্যে ক্ষীরশাপাত বা হিমসাগর আম একটি যা ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রামের মানুষের বড় ভোক্তা। হিমসাগরের প্রতি এরা দুর্বলতা। হিমসাগর আম পাকে জুন মাসের প্রথম দিকে। তাই জুন মাসের ১৫ তারিখ এর আগের হিমসাগর আম কেনা মোটেও উচিত না। অথচ এই আম ১ মাস আগে অর্থাত মে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই ঢাকার বাজারে হিমসাগর আমের ছড়াছড়ি যা আসলে হিমসাগর নয়। এবং সেই আম সবাই কিনে খাচ্ছে। হিমসাগর আমের যে আসক্ত তার সুজোগ নিয়ে এই আমকে হিমসাগর বলে বিক্রি করা হয়।
মে মাসের মাঝের দিকের আম যা বাজারে আসবে সেগুলা ক্রয় করা উচিত হবে না।বেশি দাম দিয়ে অপরিপক্ব এবং আগামজাত করা আম না কেনাই ভাল। ধারনা করা হচ্ছে যে আগামী মাসের মাঝের দিকে ল্যাংড়ার আম বাজারে আসবে যা ফরমালিন দিয়া পাকানো।
আমাদের বাংলাদেশ এ বিশেষ করে ঢাকা, কুমিল্লা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার আম নিচের সময়ানুযায়ী পাকবে -
আমরা সঠিকভাবে এবং সময়মত আম কিনলে আমরা ভাল আম পাব।
তাই আম বাজারে পরিপুর্ন ভাবে আসার পর আম কেনা উচিত।