ঠিক চামড়ার নিচের অংশ। এভাবেই যদি দুনিয়াতে পাঠাতেন, সুন্দর চামড়ার অাবরন না থাকতো কেমন হতো তখন? কাউকে দেখে মায়া ভালবাসা তৈরি হতো না। থাকতো না হাসি কান্নার এই অভিব্যক্তি।
শুধু কি তাই! প্রায় ৯৭কিলেমিটার দীর্ঘ এই ব্লাড ভেসেলগুলো কী অদ্ভুত সুক্ষ ভাবে তৈরি। নেই কোন কম্প্লিকেশন বা জটিলতা।
পৃথিবীর কোন কারখানা অন্ধকারে চলে না। কোন প্রডাক্ট অন্ধকারে তৈরি হয় না। কিন্তু আমাদের সৃষ্টি যে কারখানায়, সেই মায়ের জরায়ুতে, তিন স্তর বিশিষ্ট অন্ধকারে ঘেরা। অথচ সেই সৃষ্টি কত নিখুঁত, কত অদ্ভূত সুন্দর! আশেপাশের সব পুড়ে যাওয়ার পর মসজিদ বা কুরআন পুড়লো কিনা, আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ সেখানে খোঁজার প্রয়োজন নেই। পশু পাখির গায়ে তাঁর নাম অংকিত রয়েছে কিনা, মেঘের ভাঁজে তাঁর নাম ফুটে উঠেছে কিনা, প্রয়োজন নেই তা দেখার।
তাঁর অস্তিত্বের প্রমান আমরা নিজেরাই। তিনি আল্লাহ, আমাদের এই শরীরের নির্মাতা এবং একে তিনিই শক্তি দান করেন।
"বিশ্বাসীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করবে না? সূরা যারিয়াত - আয়াত ২০,২১।
👌👌👌