লক্ষ্যটা টি-টোয়েন্টি বিচারে মোটেও বড় কিছু নয়, মাত্র ১৪৭ রান। এমন লক্ষ্যে রীতিমতো উড়ন্ত সূচনা করেছেন রাজশাহীর দুই ওপেনার মুমিনুল হক ও রনি তালুকদার। যতক্ষণে উইকেটে এলেন, তখন হুট করে দুই উইকেট হারিয়েছে কিংস। প্রথমে মুমিনুল হকের সঙ্গে ৩১ রানের জুটিতে বিপদ সামাল দিলেন। এরপর দলীয় ৯৭ রানে মুমিনুল ফিরলেও রাজশাহীকে জিতিয়েই ম্যাচ শেষ করেছেন জাকির হাসান। ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে রাজশাহীকে জেতালেন তিনি।
তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংস। চারটি বাউন্ডারির সঙ্গে তিনটি বিশাল ছক্কাও ছিল তাঁর আগ্রাসী ইনিংসে। ব্যাটিং সৌন্দর্যের প্রদর্শনী চালিয়েছেন রাজশাহীর এ ব্যাটসম্যান। মুমিনুল-রনির আগ্রাসী শুরুটাকে সফল পূর্ণতা দিয়েছেন জাকির-মুশফিক। ১৬ রানের সময় আউট হয়েও বোলার নাবিল সামাদের নো বলে ‘জীবন’ পেয়েছিলেন তিনি। সেটি উপভোগ করতেই যেন পরবর্তী দুই বলেই হাঁকালেন ছয়!
ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার নিতে এসে দলের সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন ১৯ বছর বয়সী এই বাঁহাতি। মেহেদী মিরাজদের সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়েই নজর কেড়েছিলেন। স্ট্রোক-সমৃদ্ধ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করে নিজের আগমনী বার্তাই দিয়ে রাখলেন জাকির হাসান।