আমাদের সংস্কৃতি যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমনি বৈচিত্র্যতা রয়েছে আমাদের দৈনন্দিন পোশাকেও। যেমন মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত শ্রেণির পুরুষদের বেলায় জিন্স, গ্যাবার্ডিন বা ফরমাল প্যান্টের সঙ্গে পাঞ্জাবি, কিংবা স্যুটের মতো পোশাক পরতে দেখা যায়। আর নারীদের বেলায় কামিজ, শাড়ি, টপস কিংবা কুর্তির মতো পোশাক। তবে ইদানীং মেয়েদেরও প্যান্ট শার্ট পরতে দেখা যায়। আর দেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী উপজাতিদের পোশাকের দিকে তাকালে দেখা মেলে ভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের।
আবার যখন একটু নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের দিকে চোখ পড়ে, তখন দেখা যায় তারা লুঙ্গি-শাড়িকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। এত এত বাহারি পোশাকের বৈচিত্র্যের মধ্যে হঠাৎ প্রশ্ন জাগে, ‘বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক কী?’
সেই প্রশ্নের উত্তরের খোঁজে প্রিয়.কমের প্রতিনিধি ছুটে যান বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের কাছে। মোট ৬৭ জন নারী-পুরুষকে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষক, ডাক্তার, ছাত্র, প্রকৌশলী, আইনজীবী, ব্যাংকার ও সাংবাদিক। এই সাতটি পেশায় কর্মরত প্রায় প্রতি ১০ জনের কাছে হঠাৎ করেই জানতে চাওয়া হয় বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক কী?
আচমকা এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে, অনেককেই ইতস্তবোধ করতে দেখা গেছে। আর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় মোটামুটি সবাই নিজেদের দেওয়া উত্তর নিয়ে ছিলেন দ্বিধান্বিত। এবার তাহলে পড়া যেতে পারে বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক নিয়ে কয়েকজনের মন্তব্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার জানামতে বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় পোশাক এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।’
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক রুবাইয়াৎ হক বলেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক লুঙ্গি ও শাড়ি।’