বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই,
আশা করি সবাই ভালো আছেন,
আমিও ভালো আছি।
আজ আমার বাংলাদেশের জাতীয় ফল নিয়ে একটা পোষ্ট তৈরি করলাম।আমার বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম হচ্ছে কাঠাল।আজ কাঠাল নিয়ে আপনাদের মাঝে কথা বলবো।
বন্ধুরা চলুন বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঠাল নিয়ে কিছু বলা যাক,
বন্ধুরা, বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঠাল সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন,কাঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল এটাও হয়তো অনেকেই জানেন।আজ আমি আমার গ্রামের বাগানে গিয়েছিলাম,সেখানে দেখলাম অনেক কাঠাল গাছ আছে,আমি কাঠাল গাছের একটি ছবিও তুলেছি,উপরে আপনারা ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন নিশ্চই।কাঠাল হলো বাংলাদেশের মৌসুমী ফল নামে পরিচিত,বাংলাদেশে প্রচুর পরিমানে কাঠালের চাষ হয়।এপ্রিল,মে ও জুন এই তিন মাসে বাংলাদেশে প্রচুর কাঠাল হয়।কাঠাল আকারে অনেক বড় হয়,কাঠালের গায়ের রং হলুদ হয়ে থাকে,এর গায়ে কাটার মত থাকে।কাঠালের ভিতরের অংশ থেকে খাবার রোয়া বের করে খাওয়া হয়,কাঠালের ভিতরের অংশ রোয়া নামে পরিচিত,আর এই রোয়ার ভিতরে বিচিঁ হয়।একটা কাঠালের ভিতরে প্রায় ১০০ থেকে ২০০ টা পর্যন্ত রোয়া হয়ে থাকে,এই রোয়া খেতে আমি পছন্দ করি।বাংলাদেশ সরকার অতীতে এই কাঠাল কে জাতীয় ফল হিসেবে বিবেচিত করে।কাঠালের মৌসুমে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বাংলাদেশে,কিন্তুু কাঠাল চাষীরা ন্যায্য মূল্য পায় না।বাংলাদশে অত্যাধিক কাঠাল জন্মে,প্রচুর কাঠাল জন্মানোর কারনে এর দাম অনেকাংশে কমে যায়,যার কারনে কৃষকরা ভালো দাম পায় না।আবার দেখা যায় এই কাঠাল উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জন্য বিপজ্জনক,তাই অনেকেই এই কাঠাল খাওয়া থেকে বিরত থাকে।কিন্তুু বাংলাদেশের গ্রাম গুলোতে কাঠালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
তাই বাংলাদেশ সরকারের কাঠাল চাষের দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিৎ যেন কাঠাল চাষীরা এর ন্যায্য মূল্য পায়,সরকার চাইলে এই কাঠাল বিদেশে রপ্তানি করে অর্থ উপার্জন করতে পারে।
বন্ধুরা, আমার বাংলাদশের জাতীয় ফল কাঠাল সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি আপনাদের ততটুকুই তথ্য দিলাম,আশা করি আমার লেখা আপনারা পড়ে বাংলাদেশের কাঠাল সম্পর্কে জানতে পারবেন।আমি উপরে একটি কাঠাল গাছের ছবি দিয়েছি,সেখানে আমিও আছি,ছবিটি সবাই দেখবেন,আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।