বর্তমান সময়ে দুরারোগ্য ও প্রাণঘাতী ব্যাধিগুলোর একটি ক্যান্সার। বিশ্বে প্রতি বছর ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় লাখ লাখ মানুষের। ব্যয়বহুল হওয়ায় আক্রান্ত রোগী দরকারি চিকিৎসাও পান না। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দুঃসহ বেদনা বয়ে বেড়াতে হয়। কিছু বিষয় মেনে চললে এই মরণব্যাধির কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সে জন্য শরীরকে সক্রিয় রাখার বিকল্প নেই। খাওয়ার টেবিলে ফল ও শাকসবজি রাখতে হবে। শিশুদের টিভি ও কম্পিউটার দেখার সময় সীমিত করতে হবে।
২. নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। নাগরিক জীবনে ব্যস্ততায় ব্যায়ামের সময় পাওয়া যায় না। এরপরও ব্যায়ামের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা উচিত। সকালে কিংবা অফিস ছুটির পর ব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিদিনই একই সময়ে ব্যায় করা কার্যকরী। রাতের খাবারের পর হাঁটার অভ্যাস করুন। শিশুদের সঙ্গে নিয়মিত খেলাধুলা করুন। তাদের নিয়ে সাইকেল চালান কিংবা সাঁতার কাটুন।
৩. ধূমপান পরিহার: শারীরিক সুস্থতার জন্য ধূমপান ছেড়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। ধূমপান ছাড়ার জন্য প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে। ছেড়ে দেওয়ার আগে বাসায় অন্তত ধূমপান করবেন না। এতে পরোক্ষ ধূমপায়ী শিশু বা অন্যদের ক্ষতি হতে পারে।
৪. স্বাস্থ্যকর খাবার: লাল মাংসের পরিবর্তে মুরগি, মাছ বা মটরশুটি খান। প্রয়োজনীয় মাল্টি ভিটামিন গ্রহণ করুন। অলিভ, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ বা ক্যানোলা তেল দিয়ে তৈরি খাবার খান। এগুলো ফ্যাটমুক্ত। ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত করা খাবার উচ্চ ফ্যাটযুক্ত। এগুলো পরিহার করুন।
৫. মাদক ও অ্যালকোহল সেবন পরিহার: মাদকদ্রব্য ও অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান থেকে বিরত থাকতে হবে। নেশাজাতীয় দ্রব্য ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
৬. সূর্যালোক থেকে রক্ষা: সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতে শরীর ঢেকে রাখতে হবে। সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।