মানুষের আকর্ষণ তৈরি হয় চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে।
চেহারা:
চেহারার স্থায়িত্ব শরীরের আকর্ষণের চেয়ে বেশি। তবে চেহারা সুন্দর হলে আর সংগী বিশ্বাসী হলে তার প্রতি আকর্ষণ থেকেই যায়। বেশিরভাগ আকর্ষণ এই চেহারা কেন্দ্রিক হয়।
এরপর হল শরীর :
যে আকর্ষণ শরীর বা যৌনতা থেকে তৈরি হয়, তার স্থায়িত্ব সবচেয়ে কম।
বেশ কিছুদিন তা পেলেই আর কোন আকর্ষণ থাকেনা।
যোগ্যতার আকর্ষণ:
মানুষের যোগ্যতাও এক ধরনের সৌন্দর্য। যোগ্যতার জন্য যে আকর্ষণ তৈরি হয়, তার স্থায়িত্ব হয় অনেক বেশি। কারণ মানুষ আর কিছুকে মূল্যায়ন না করলেও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেয়।
সবচেয়ে বেশি স্থায়িত্ব এবং মজবুত হল মনকেন্দ্রিক আকর্ষণ।
কিন্তু মনের আকর্ষণ সহজে তৈরি হয় না। এটির জন্য সময়ের দরকার হয়, অনুভুতি তৈরির দরকার হয়। এটি যেমন ধীরে ধীরে তৈরি হয়, তেমনি এটার স্থায়িত্বও সবচেয়ে বেশি। আর তাছাড়া মানুষের মন বোঝাও সহজ কাজ নয়। কারো মন বুঝতে হলে তার সাথে মিশতে হয়। এইজন্য মন কেন্দ্রিক আকর্ষণ মজবুত হয়।
কিন্তু সব আকর্ষণই এক সময় কমে যায়। কেউ স্বীকার করুক বা না করুক, এটাই বাস্তবতা। আকর্ষণ কমে যায় বলে মানুষ তার প্রিয় সঙ্গী হারিয়েও বাঁচতে পারে। না হয় বাঁচাটা কঠিন হয়ে যেত।
এবং এর সাথে সাথে সময়ের প্রেক্ষিতে ব্যালান্সও তৈরি হয়ে যায়।
আকর্ষণ একসময় গিয়ে পরিণত হয় অভ্যাসে, মায়াতে, দায়িত্বে।
সেই অভ্যাসের কারণে, মায়ার কারণে, দায়িত্বের কারণে দুজন মানুষ বাকি জীবন একসাথে পার করে।
এই আকর্ষণ, অভ্যাস, মায়া, দায়িত্ব- সবগুলো মিলেই একসাথে ভালোবাসা।