বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারোকাতুহ।
ঈদের দিন একটু রাত করে ঘুরাঘুরি করে বাসায় এসে ঘুমাতে বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল। তবুও আজকে ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে চলে গেলাম মসজিদে সালাত আদায় করতে। নামাজ শেষ করে এসে বেশ কিছুটা সময় রাস্তায় দাড়িয়ে আমার চাচাতো ভাই পলাশের সাথে কথা বললাম। কথা বলে চলে গেলাম একটা দোকানে চা খেতে। এরপর বাড়ীর দিকে চলে আসলাম। বাড়ী এসে দাঁত ব্রাশ করে নিলাম। এরপর হাতমুখ ধুয়ে রুমে এসে একটা প্লেট নিয়ে কিছু ভাজা আর বিস্কুট নিয়ে সকালের নাস্তা শেষ করলাম।
সকালের নাস্তা।
নাস্তা শেষ করে চলে গেলাম আমার বড় চাচার বাড়ীতে। আমাদের পাশেই বাড়ী। মূলত চাচাতো বোন অসুস্থ এজন্য তাকে দেখতে গেলাম। বেশ কিছুটা সময় চাচীদের বাড়ী থাকলাম। গাছ থেকে কাঁচা পেয়ারা পেরে ঝালের গুড়া দিয়ে মাখিয়ে খেলাম। বেশ ভালো লাগতেছিল।
কাঁচা পেয়ারা মাখা।
এরপর গাছ থেকে মেহেন্দীর পাতা গাছ থেকে পেরে পাটায় বেটে নিলাম। এরপর সেগুলো মাথায় নিলাম। মূলত চুল পরে যাচ্ছে এজন্য আজকে মাথায় মেহেদী লাগাম। যদিও ছবি তুলতে ভুলে গেছিলাম। মূলত যোহরের সালাত আদায় করে এসে মাথায় মেহেদী লাগালাম। এরপর ভাইয়ের মেয়েকে কিছুটা সময় ক্যামিস্ট্রি বুঝিয়ে দিলাম। তারপর দুলা ভাইদের সাথে মিলে চলে গেলাম নদীতে গোসল করতে। আমি সচারাচর নদীতে গোসল করি না। মাঝে মাঝে বাড়ীতে এসে সবার সাথে যায়। গোসল শেষ করে বাড়ী চলে আসলাম। বাড়ী এসে কিছুটা সময় পর রেডি হলাম। মূলত বোন দুলাভাই আর ভাতিজিকে নিয়ে একটু ঘুরাঘুরি করতে যাব। প্রথমে রেডি হয়ে আমরা হাটতে হাঁটতে চলে গেলাম ব্রীজে। রেডি হয়ে আমি আমার ভাগিনীকে কোলে নিলাম।
আমি এবং আমার ভাগিনী।
হাটতে হাঁটতে আমরা চলে গেলাম নদীর ধারে একটু রেস্টুরেন্টে। এটা ঠিক ব্রীজের নিচে নির্মাণ করায় মানুষের আগ্রহটা বেশি। আমরা চলে গেলাম রংধনু রেস্টুরেন্টে এন্ড কমিউনিটি সেন্টারে। সেখানে গিয়ে আগে একটা বসার জায়গা খুজে নিলাম। আমি আমার দুই বোন, মেয়ে আর দুলাভাই ছিলাম। মেনু কার্ড দেখে আমরা আমাদের অর্ডার দিলাম। একটা লাচ্চি, একটা হালিম এবং একটা মোগলাই পরোটা অডার দিলাম। মানে যে যা খাবে সেই অনুযায়ী আর কি।
রেস্টুরেন্টে কাটানো মুহূর্ত
খাওয়া দাওয়া শেষ করে বিলটা পরিশোধ করে আমি চলে গেলাম বাজারে, আর বাকিরা বাড়ীর দিকে আসতে লাগল। বাজার থেকে দই কেনার জন্য গেলাম। বাজার থেকে কেনাকাটা শেষে আমিও বাড়ী চলে আসলাম। আজকের দিনটা এভাবেই কেটে গেল।