শরবত একটি পুষ্টিগুণসম্পন্ন পানীয়। শরবত পান করে না এমন লোকের সংখ্যা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমরা সারাদিন কাজ করে ক্লান্ত হয়ে যাই। অবসাদ ও ক্লান্তি দূরীকরণের জন্য শরবতের বিকল্প নেই। গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। এই পানির ঘাটতি পূরণে শরবত অত্যন্ত কার্যকরী একটি পানীয়।
শরবতের এই পানীয় যদি পুষ্টিগুণসম্পন্ন হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। তোকমা, ইসুবগুল ও মালটা এসব উপাদান গুলো সবই পুষ্টিগুণসম্পন্ন। সুতরাং এগুলোর সমন্বয়ে তৈরিকৃত পানীয় হবে পুষ্টিগুণে ভরপুর। তোকমা হল ছোট কালো বর্ণের এক প্রকার বীজ। আর এই বীজ বিভিন্ন পানীয় ও শরবত তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে এই তোকমা ব্যবহৃত হয়। দেহের ওজন কমাতেও তোকমার বিকল্প নেই। পানির ভেতর কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে তোকমা ফুলে ওঠে কালো থেকে সাদা বর্ণ ধারণ করে। তোকমার মত ইসুবগুলের ভুষি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ইসুবগুলের ভুষি কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী। ইসুবগুলের ভুষি শরবত এর সঙ্গে কিংবা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। মালটাও বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। এই ফল ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে এবং ইনফেকশন থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। সুতরাং এই তিন উপাদানের সমন্বয়ে তৈরিকৃত পানীয় দেশ পুষ্টিগুণের হবে।
সুতরাং আমাদের দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এবং পানির ঘাটতি পূরণে তোকমা,ইসুবগুল ও মালটার তৈরিকৃত শরবতের বিকল্প নেই। সুতরাং স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের জন্য এই শরবত বেশ কার্যকরী হবে।