Hi friend's,
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি৷ আবারও আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম আমার আরেকটা নতুন পোষ্ট নিয়ে৷ আজকে আমি ট্রেনে রাজশাহী যাওয়ার মুহূর্তটা আপনাদের সাথে শেয়ার করব৷ চলুন শুরু করি-
মানুষ তাদের প্রয়োজন ছাড়া কোথাও যেন যায় না। কয়েক মাস আগেও আমি রাজশাহীতে গিয়েছিলাম ডাক্তার দেখাতে। আবারও গত ১০ তারিখ গিয়েছিলাম ডাক্তার দেখাতে৷ প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ সব করতে পারি৷ আমি আগে থেকেই রাজশাহী যাওয়ার দিনটা ঠিক করে রেখেছিলাম৷ আমার পর্ব মধ্য পরিক্ষা শেষ করেই পরের দিন আমি ডাক্তার দেখানোর জন্য মনস্থির করি। কিন্তু অনলাইনে যাওয়ার ট্রেনের টিকিট পেয়েছিলাম না। শুধু মাত্র আসার টিকিট কেটেছিলাম। এরপর সকাল ৭ টার সময় আমার রুমমেট কে স্টেশনে দিয়ে পাঠায়ে ছিলাম টিকিট কাটার জন্য। কিন্তু অতো সকালে গিয়েও দেখো আরও মানুষ টিকিটের জন্য দাড়ায়ে আছে৷ ভোরে না গেলে টিক পাওয়া যায় না সিটের। এজন্য ভোরে গিয়েছিলাম যাতে সিট পাওয়া যায়।
আল্লাহ তায়ালার রহমতে আমি ট্রেনে সিট পেয়েছিলাম। টিকিট কাটার পর আমরা অপেক্ষা করতে লাগলাম ট্রেন আসার জন্য। সকাল ১০:১৫ মিনিটের সময় ট্রেন ছিল। নিদিষ্ট সময়ে ট্রেন চলে আসল।এরপর আমি ট্রেনে উঠে আমাদের সিটটা খুজে সেখানে বসে পরলাম। তারপর আমাদের যাত্রা শুরু হলো। আমি, আমার ছোট খালু এবং আমার রুমমেট এক সাথে রাজশাহী যাচ্ছিলাম। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা সময় লাগে রাজশাহী যেতে। আমাদের যাত্রা পথ বেশ ভালো ছিল। দুপুর ১:৩০ মিনিটের দিকে ট্রেনটা রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছে গেল। এরপর আমরা সবাই ট্রেন থেকে নেমে পরলাম।
এরপর আমরা সেখান থেকে একটা অটোতে করে চলে গেলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখানে আমার এক বন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য। আমাদের ডাক্তার দেখানো বিকালের দিকে এজন্য একটু ঘুরতে গেলাম। আমার বন্ধুর সাথে দেখা করে বিকাল ৩ টার দিকে, রাজশাহী পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গেলাম ডাক্তার দেখাতে। আমাদের আগে থেকেই সিরিয়াল দেওয়া ছিল। এজন্য ডাক্তার দেখাতে আমাদের বেশি দেরি হয় নাই৷ মূলত ট্রেন ভ্রমণ করতে আমার অনেক ভালো লাগে৷ যার জন্য রাজশাহী গেলেই আমি ট্রেনে যায়।
আশা করি আমার আজকের লেখাটা আপনাদের সবার কাছে ভালো লেগেছে৷ সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আবারও দেখা হবে আমার নতুন কোনো পোষ্ট নিয়ে।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার আজকের পোষ্টটা পড়ার জন্য।