রহমত আলী। পিতা মৃতু কেতাব উদ্দিন, মাতা আফেলা, গ্রাম চওরা বালাপাড়া,হাজারীহাট সৈয়দপুর, নীলফামারী। আমরা এক ভাই দুই বোন।আমি একটি কোম্পানিতে কাজ করি।আমার মা একজন গৃহিণী। আমি এসএসসি পাস করছি ২০০৭ সালে।আমার বর্তমান বয়স ২৯ বছর।পরিবারের এক মাত্র উপার্জন কারী আমি। ★আমার জীবনের শখ হলো, আমি একটি ব্যবসা ছোটমোট করতে চাই। আর তা হলো ঔষধের ফার্মেসি,মানুষের সেবা করতে চাই।কারন, মানব সেবাই পরম ধর্ম।অনেক মানুষ ঔষধ কিনতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়।অনেক টাকা লাগে।তাই আমি নেয্য মুল্যে, অল্প টাকায়।
সুন্দর চিকিৎসা সেবা দিতে চাই।অসহায়ের সহায়তা করার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।আল্লাহ এজগতে মানুষকে পাটিয়েছেন পরিক্ষা করবার জন্য।এজগতে ভালো কিছু করলে পর জগতে শান্তিময় জীবন লাভ করা যাবে। ★আমার জীবনের একটা ঘটনা থেকে আমি দেখছি যে, এক বুড়ির একটি মেয়ে আছে, দুইজনে মিলে অন্যের বাড়িতে কাজকরে জীবন যাপন করে।তাদের আর কেউ নেই।একদিন মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পরে, নিকটে তেমন কোন ভালো চিকিৎসক নেই,প্রাইভেটে বড় ডাঃকে দেখানোর মতো টাকাকড়ি ও ছিলো না।তাই যেতে হবে সরকারি হাসপাতালে। হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হলো উপস্থিত দু একটি বড়ি দিলো,এবং সঙ্গে অনেক গুলো ঔষধের প্রেসক্রিপশন ও টেস্ট দিলো।কিন্তু এগুলো করার বা কিনার ওই মেয়ের মা বুড়ির কোন উপায় ছিলো না।কিছু সময়ের মধ্যে মেয়েটি মারা গেলো।এখন লাশ নিয়ে বাড়িতে যাবে তার ভারা নাই।তখন আমরা সবাই মিলে চাদা দিয়ে বুড়ী- মাকে তার মেয়ের লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্হা করে দেই।এ রকম আরো অনেক মানুষের জীবন যাপন রয়েছে, যা আমরা হয়তো দেখতে পাইনা। এ ঘটনা ঘটেছে ০৫-০৩-২০২১ইং রংপুর মেডিকেলে।