"করোনাকালীন বাংলাদেশের পরিবহন"
বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ, কিন্ত দেশ হিসেবে ছোট হলে ও এর জনসংখা কিন্ত অনেক বেশি। ছোট আয়তনের এই দেশটিতে প্রায় ১৮ কোটি লোকের বসবাস। অধিকাংশ মানুষ ই গরীব, যারা দিন আনে এবং দিন খায়। বর্তমান সময়ে সারা দুনিয়া ব্যাপী করোনা ভাইরাস নামক একটি ভাইরাস মহামারী আকার ধারন করেছে। এই ভাইরাস নাকি চীনের উহান প্রদেশ থেকে সারা দুনিয়া ব্যাপী ছডিয়ে পডেছে। ভাইরাসটি যেমন সারা দুনিয়া ব্যাপী ছডিয়ে পডেছে তেমনি বাংলাদেশে ও এটি সমান তালে প্রভাব বিস্তার করেছে। যাই হোক এই করোনার মধ্যে ও আমরা বাংলাদেশের মানুষেরা কোন ভাবে জীবনযাপন করে যাচ্ছিলাম, করোনা কালীন সময়ে বাংলাদেশ সরকার সাধারন ছুটি বা লকডাউন ঘোষনা করে, এবং সারা দেশের পাবলিক পরিবন বা বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। তারপর ও আমরা সাধারন মানুষ যে যেভাবে পারছি পায়ে হেঁটে রিকশায় চডে বা যে যেভাবে পারছি নিজের কর্মস্থলে গিয়েছি। কিন্ত আসল ঘটনাটা ঘটলো তখনই যখন পাবলিক বাস বা গণ পরিবহণ আবার সবার জন্ন খুলে দেওয়া হল। আর সেটা হলো গনপরিবহনের ভাডা ৬০% বৃদ্ধি করে দেওয়া । অথচ দুনিয়ার কোথা ও গনপরিবহনের ভাডা এক পয়সা ও বাডায়নি।সেটা ও মানলাম কিন্ত এইটা কিভাবে মানা যায় যখন ভাডা দিগুণ বা তার চেয়ে ও বেশি আদায় করা হয়। আমরা যারা মধ্যবৃত্ত বা গরীব মানুষ আছি তাদের পক্ষে এই অসহনীয় ভাডা বহন করা কতটা সম্ভব।আমাদের সরকার কি পারত না আমাদের দিকটা বিবেচনা করে পরিবহণ ভাডা না বাডাতে...?
স্থির চিত্র-১
তাহলে আমরা যারা কম আয়ের সাধারন মানুষ আছি তাদের হয়তো অতিরিক্ত ভাডা গুনতে হত না।আজ আমরা পরিবহনের কথা শুনলেই কেমন আঁতকে উঠি। ভূলতে বসেছি গ্রামের বাডিতে বেডাতে যাওয়া।
স্থির চিত্র-২
আমরা চাই আমাদের মত নিন্ম আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে দেশের পরিবহণ ভাডা আবার আগের মত করে দেওয়া হোক।