Some days, man just want to listen Nachiketa and lazing in the corner: smoking and drinking some bitter black coffee, thinking maybe it is time to think about goodness of life!!
রাজশ্রী তোমার জন্য দুর্ঘটনা সোমালিয়ায়
বাড়লো সিগারেটের দাম
তছরুপের দায় সুখরাম
বাড়লো সিগারেটের দাম
(A part of the song "Rajshree" by Nachiketa)
মানুষ আজকাল কেবলই অতীতের কথা বলে। অতীত এমন ছিলো, তেমন ছিল, এই ছিলো, সেই ছিল... কোথাও বর্তমানের কথা নেই। জানতে চাই, বর্তমান কোথায়, কার কাছে আছে জানতে চাই।কেউই যেন বর্তমানে বেঁচে নেই, অতীতের খোলোসের মধ্যে আটকে আছে।
যেটা পুরোপুরি মিথ্যেও নয়, আবার সত্য হিসাবে অস্তিত্বেও নাই।
মানুষ যখন বলতো, "যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ", শুনে বিরক্তই হতাম। যে কেনো বাপু, এইতো সেদিনও ভালো দিন গেলো, যেটা "যায় দিন" হবার আগে "আসা দিন" ছিলো। তবে এটা অনস্বীকার্য যে, সময়ের সাথে পরিবর্তনের গতিতেও এসেছে পরিবর্তন, যেটা যারা তুলনামূলক ধীর সময়ে বাস করেছে, তারা গতির পরিবর্তনটা বুঝতে পারে।
এবং প্রজন্ম সেটা মেনে না নিলেও, বর্তমানে সত্যিই সময়টা কেবল "যাচ্ছেই ভালো"
শিল্পের চর্চা নেই, শিল্পীর কদর নেই, গানে সুর নেই, গায়কের তাল নেই, প্রেমিকের আদর নেই, প্রেমিকার আহ্লাদ নেই। সিনেমার আবদার নেই, পরিচালকের গরজ নেই,নায়িকার রূপ নেই, নায়কের মোহ নেই। বইএর ঘ্রাণ নেই, পড়ুয়ার শ্রী নেই, গল্পের গাঁথুনি নেই, লেখার বাঁধুনি নেই।
কেবল চারিদিকে নেই নেই নেই আর নেই নেই নেই।
সবখানে ছেয়ে আছে এক গুমোট অন্ধকার, যেটাকে না দেখবার ভান করতে পরিয়ে দেয়া হচ্ছে রঙিন চশমা।
আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সে জগতের দরজা। এমন একটা দেশের গল্প ছিল যেখানে কোনো বইয়ের, শিল্পের অস্তিত্ব ছিলোনা, সব বই পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো। কারো কাছে পাওয়া গেলে তাকে দন্ড দেয়া হতো। মনে হচ্ছে ধীরে ধীরে সেই সময়ে ফিরে যাচ্ছে সবকিছু।
কোথায় শুনেছিলাম যে, যে বই পড়েনা, সিনেমা দেখেনা, চিন্তার ভাবনার অবকাশ রাখেন, তাকে ভয় পাওয়া উচিৎ। যে বই তাকে সাজিয়ে রেখে দেয়, সমীহ করে কিন্তু সে জগতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে অনিচ্ছুক তাকে ভয় পাওয়া উচিৎ।
এবং ইদানীং দেখাও যায়, কেউ যদি কিছু বিশেষ মানুষের আশেপাশে উৎফুল্ল, প্রাণবন্ত থাকতে চায়, তাকে বলে হয় "ইয়ু আর নট ইন্ট্রোভার্ট এনাফ!"
ইন্ট্রোভার্ট হতে হলে তাকে হতে হবে গ্লুমি, আঁধারের ছায়া পাশে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হবে।
হিসাবের বাইরে বলবেনা, চলবেনা, হাসবেনা, গাইবে না।
একটা সময় এমন ছিল, আড্ডায় কিছই মানুষ থাকতো যারা কথা হয়তো একটু কম বলতো, কিন্তু আড্ডায় তাদের উপস্থিতি থাকতো ষোলআনাই।
আগের সময়েও কিন্তু এই "ইন্ট্রোভার্ট" লোকজন ছিল। কিন্তু, তাদের দরজার উপরে থেকে জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হতো না। বরং সানন্দেই তারা আড্ডা গল্পে থাকতে চাইতো।
ইদানিংকালে সকলেই "ইন্ট্রোভার্ট" খেতাবের আড়ালে নিভৃতে চলে যেতে চায়।
কারণ বেশির ভাগ জায়গাতেই এখন কেবল মিথ্যে অহমিকা, ঝলমলে মরীচিকার পেছনে ছুটবার প্রতিযোগিতা। কে কার থেকে সামাজিক পর্যায়ে কতটা এগিয়ে আছে, কতটা পিছিয়ে আছে, কতটা উপরে বা নীচে আছে এই গল্প।
কোথাও দু'দন্ড বসে সুকুমার কিংবা বিভূতি কি খেয়ে লিখতো সে চিন্তার সুযোগ নেই, মানিক কি দেখেছিলো তার চোখভরে যা তাকে যোগান দিতো তার শিল্পের, মৃনাল সেন কিংবা ঘটক সাহেবের সিনেমার ভাবনার জগতের সন্ধান করবার খায়েশ নেই।
আমাদের নারীদের সে বৈপ্লবিক উত্থান পতনের ঢেউ, সে ইতিহাসের চর্চা নেই, আশাপূর্ণাকে কেউ চেনেনা, বকুল কথা আসবার আগে যে সত্যবতী, সূবর্ণলতা পথ বিছিয়ে গেছে সে জীবাশ্মের খোঁজ কেউ রাখে না।
ভীষণ হতাশ করবার আগে যে তসলিমার আগুন ঝরানো দিন ছিল তা জানেনা, নারীবাদের ব্যানার পোস্টার, মিটিং স্লোগান করে এসে দিনে শেষে বিষাক্ত কিছু সম্পর্ক টেনে বেড়াতেও কেউ দ্বিধা করে না।
All the contents are mine untill mentioned otherwise.