বন্ধুদের সাথে ঘুরতে কার না ভালো লাগে।যদিও এখন আর আগের মতো সেইরকম আর ঘোরা হয়না। বড় হওয়ার সাথে সাথে যেনো অনেক ইচ্চায় কমতে থাকে।
এখন আর হুট করে ছাড়া কোনো কাজ অনেক বন্ধু মিলে একসাথে হয়না।
আজকের ট্যুর টাও ছিলো হুট করে।সকাল বেলা এক বন্ধুর ফোন আজকে ঘুড়তে যাবো। কয়েকদিন ত্রীব গরম কাটলেও আজকের আবহাওয়াটা ঘুরার মতো ছিলো,তাই রাজি হয়ে গেলাম।
বেজ তিন বন্ধু মিলে বের হয়ে পড়লাম।
যদিও কারো পকেটে তেমন কোনো টাকা ছিলোনা। তাই কোথায় যাবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।
যাইহোক অবশেষে সিদ্বান্ত নিলাম ঠাকুরগাঁও যাবো,যেমনি প্লেন তেমনি কাজ।
রওনা দিলাম উদ্দেশ্য ঠাকুরগাঁ।
এক বাইকে তিন জন লোক। বাইক চলছে আমরা চলছি আর সাথে চলছে আমাদের আবেগি গান।
ঠাকুরগাঁও যাওয়ার পথে প্রথমে ঢুকলাম বীরগঞ্জের সিংড়া ফরেষ্টে।বিশাল দৈর্ঘের এক বন। প্রথমে যে কেউ গেলে হয়তো ভাববে এর শেষ কোথায়।
এদিকে ঠাকুরগাঁও আমাদের জন্য এক বন্ধু অপেক্ষা করছিলো।দিনাজপুর আমরা একসাথে কলেজ পড়তাম। ঠাকুরগাঁও মেন শহরে তার বাসা।
অনেকদিন পর তার সাথে দেখা হবে এই ভেবে একটা ভালো লাগা কাজ করছিলো।
দেখা হওয়ার পর যেনো ভালোলগাটা আরও বেড়ে গেলো।প্রায় ২ বছর পর দেখা।কিন্তু ভালোবাসাটা এখন দুজনের দুজনের প্রতি ঠিক আগের মতোই আছে।
তার সাথে দেখা করে আড্ডা দিতে আমাদের দুপুর হয়ে গেলো।।
তার কছ থেকে বিদায় নিয়ে আমরা রওনা দিলাম পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে।
পঞ্চগড়ের রাস্তার সৌন্দর্য কিন্তু অনেক সুন্দর।রাস্তার দুই পাশের গাছের ছায়া আর সবুজের সৌন্দর্যে যেনো মনে হয় এক সবুজ ভরা নতুন শহরে পা দিয়েছি। পঞ্চগড়ে আমরা ঘুরতে যাই ময়নামতির চড়ে।যদিও জায়গাটার নাম ময়নামতির চড় কিন্তু চড় খুজে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু তার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সৌন্দর্যটা অপরুপ ছিলো।
বিকেল বেলা মাসুম নামে এক বন্ধুর সাথে পঞ্চগড়ে দেখা।বিকেলের নাস্তার যাবতীয় বিল সেই বহন করে।
দীর্ঘ ৮ ঘন্টার জার্নি শেষে আমরা আবার ফিরলাম বাসার উদ্দেশে।হয়তো এরকম আর একটা দিন পাওয়া অনেক কঠিন হবে ব নাও আসতে পারে কিন্তু আমাদের এই ভালোবাসার সৃতিগুলো সহজে কিন্তু হারাবে না।