হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি।
তাই আজকে আমি আলোচনা করব, মানবসভ্যতার কৃষিকাজ পেছনে ফেলে বিজ্ঞানের ব্যবহার কাজে লাগিয়ে কৃষি কাজকে আরও সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা।
মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশে বিজ্ঞানের অবদান কতটুকু সে কথা আজ আর নতুন করে বলার কোন অবকাশই নেই।জীবনের সর্বক্ষেত্রে এখন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার আধিপত্য। বিজ্ঞানের ব্যবহার যতই বাড়ছে মানুষের জীবনে ততোই আসছে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ। বর্তমানের যুগ বিজ্ঞানের যুগ। বিজ্ঞান কে বাদ দিয়ে আর কিছুই চিন্তা করা যায় না। বিজ্ঞানের জাদু এখন কৃষিকাজেও বিপ্লব ঘটিয়েছে। মানবসভ্যতাকে আমলের কৃষি ব্যবস্থা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির কাছে হার মেনেছে। কৃষি সর্বত্রই আজ বিজ্ঞান এর ব্যাপক ব্যবহার।
একসময় কৃষি ছিল সম্পূর্ণরূপে প্রকৃতি নির্ভর। গরুটা টানা হতো, সাধারণ বীজ, আর সামান্য জ্ঞান দিয়ে কিছু কৃষকগণ চাষাবাদ করত। তাদের ফসল খড়ায় পুরত,বন্যায় ভেসে বেড়াতো আর পোকা কাটতো। ফলে উৎপাদন হতো সামান্য পরিমাণ। কিন্তু এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে কৃষিতে এসেছে এক বিশাল বিপ্লব। যা আমরা আপনারা কল্পনাও করতে পারি না।
কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর কিছু কৌশলঃ
সেচ ব্যবস্থাঃ খরা মৌসুমে কৃষকরা বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল করে থাকতো। আর এখন খরা মৌসুমে ও পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়। বিভিন্ন রকমের পাম্পের সাহায্যে পুকুর,খাল বিল ও নদী নালা থেকে পানি তোলা যায়।
লাঙ্গলঃ আগের মানুষ গ্রহণ গরু দিয়ে জমি চাষ করতে। আর এখন বর্তমানে গরুর লাঙ্গল বাদ দিয়ে কলের নাঙ্গল ব্যবহার করে, যেমন পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর চাষ করা যায়।
বীজঃ আগের কার মানুষগণ বাড়িতে বীজ রেখে ওই বীজ দিয়ে জমিতে চাষাবাদ করত। তাতে তারা ভাল ফসল উঠাতে পারে না। আর এখন বর্তমান সময়ের কৃষি বিজ্ঞানীরা গবেষণার কাজ চালিয়ে তারা বীজের শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন উন্নতমানের বীজ পাওয়া যায় তাদের কাছ থেকে।
রাসায়নিক সারঃ আগের মানুষ গুলো জৈব সার দিয়ে চাষাবাদ করত। তাতে তারা ব্যর্থ হতো। আর বর্তমান সময়ে কৃষি বিজ্ঞানীরা-টিএসপি ইউরিয়া ইত্যাদি সার জমিতে প্রয়োগ করে জমির ফসল দ্বিগুণ করতেছে।
কীটনাশকঃ আগে বিভিন্ন প্রকারের পোকামাকড় ফসল কে নষ্ট করে দিতে। আর এখন বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার করব এদের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
মাড়াইকরণঃ আগের মানুষ মাড়াই করণ করতো হাত দিয়ে। আর এখন বর্তমান সময়ে মেশিন দিয়ে মাড়াই করণ করা হয়।
এই ছিল আজকে আমার দুই সময়ের কৃষিকাজ ব্যবহার, অতীত ও বর্তমান সময়ের কৃষিকাজ ব্যবহার। আশাকরি আমি ভালোভাবে সবকিছু তুলে ধরতে পেরেছি। বর্তমান সময়ে আমরা যদি এভাবে কৃষির উপর লেগে থাকি তাহলে অবশ্যই আমাদের সাফল্য আসবে। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।