প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এ বৃষ্টির কারণে শেষ রক্ষা হয়েছিল বাংলাদেশে ক্রিকেট টিম এর । কিন্তু আজ বৃষ্টি বাংলাদেশের সহায় আর হলো না আর।
টসে জিতে বাংলাদেশকে বোলিংয়ে পাঠায় ওয়েস্টইন্ডিজ দল । মুস্তাফিজ শরিফুল ও তাসকিন বাংলাদেশ কে ভালো শুরু দিতে পারেনি যেটার সুবিধা নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ।
মাঝখানে সাকিব আল হাসান এবং মাহাদী হোসেন কিছুটা ইকোনমিক বোলিং করে দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছে কিন্তু শেষের দিকে পাওএল ও কিং এর পাওয়ার হিটিং ও জোড়া সেঞ্চুরি তাদেরকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নিয়েছে এবং শেষের দিকে শরিফুল ছাড়া বাকি তেমন কোনো বোলার আর সুবিধা করতে পারেননি যার ফলস্বরূপ পাওএল , কিং ও পুরাণের রানের উপর ভিত্তি করে ১৯৪ রানের টার্গেট দিয়ে বাংলাদেশকে ।
শুরুতে ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করতে আসেন লিটন দাস ও এনামুল হক বিজয় । কোন সময় বাংলাদেশ ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যান এবং এদের থেকে ভালো একটা পার্টনারশিপ আশা করেছিলাম কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে গুটিয়ে গেল লিটন দাসের উইকেট এবং এর পরপরই এনামুল হক বিজয় ও ড্রেসিংরুমের রাস্তা ধরলেন । এত বড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে অল্প সময়ে দুই ডাইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ এবং ম্যাচ থেকে অনেকটা চিটকে যাওয়ার মত অবস্থা তৈরি হয়েছিল ।
এরপর কোটি বাঙালি তাকিয়েছিল সাকিব আল হাসান এবং মাহমুদুল্লাহ দিকে । ভেবেছিলো বাংলাদেশের এই দুই ব্যাটসম্যান দলের হাল ধরবেন এবং দলকে টেনে নিয়ে যাবেন উপরে । মাহমুদুল্লাহ টানা দুইটা চার ছক্কা মেরে সবাইকে স্বপ্ন দেখিয়ে আউট হয়ে গেলেন ।
এরপর সাকিব আল হাসান এর সাথে দলের হাল ধরতে আসেন আফিফ হোসেন ধ্রুব । এই একটা ছেলে যে যতক্ষন মাঠে থাকে কিছু একটা করার চেষ্টা করে । আশা করছি সময়ের সাথে শেয়ার ও পরিণত হবে। পুরো ম্যাচ জুড়ে একমাত্র আফিফ হোসেন ধ্রুব ই টি-টোয়েন্টি স্টাইলে খেলা খেলেছেন বলে আমার মনে হয় । কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৪ রানের মাথায় আফিফ হোসেন ধ্রুব আউট হয় এবং ড্রেসিংরুমে ফিরে যান যদিও বা তার আউট হওয়ার ধরনটা আমার খুব একটা পছন্দ হয়নি । আফিফ হোসেন ধ্রুব এর আউট এর সাথে সাথে বাংলাদেশ ম্যাচ থেকে পুরাপুরিভাবে ছিটকে পড়ে ।
সাকিব আল হাসান ও বোধহয় বুজে গিয়েছিল এই ম্যাচটা জেতা আর সম্ভব নয়। তাও শেষের দিকে তিনি ভালো কিছু ভালো শর্ট খেলেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে তিনি ৬৮ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেনএবং দলকে হারের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করেছেন ।
নির্ধারিত ২০ওভার ব্যাটিং করে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫৮ । অর্থাৎ ফলাফল হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫ রানে বিজয়ী হয় এবং ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন পাওএল ।