আমার টুনির পরিচয় ও তার প্রতি আমার ভালোবাসা
আমি বিড়ালের নাম রেখেছি টুনি। টুনি অনেকভালো ও শান্ত স্বভাবের। ও হচ্ছে আমার সবছেয়ে কাছের বন্ধু। আমার একাকিত্ব সময়ের সাথী। আজ থেকে প্রায় একবছর আগে আমি রাস্তা দিয়ে হেটে বাসায় আসছিলাম। তখন দেখি বাসার সাইডে এক চিপায় টুনি মেও মেও করছে। তখন মনে হয় তার বয়স ১ দিন কি ২ দিন হবে। অনেক ছোট্ট একটি বাচ্চা। আমার যতটুকু মনে হয় তার না তাকে রেখে চলে গেছে। তখন আমি বাচ্চাটিকে দেখে আমার অনেক মায়া লেগে যাই ও আমি আমার হাতে করে বাচ্চাটিকে আমার বাসায় নিয়ে যাই। আম্মু দেখে প্রথমে আমার সাথে একটু রাগারাগি করেছে। যখন দেখেছে আমি বাচ্চাটির উপর অনেক বেশি ঝুকে গেছি তার খাওয়া নিয়ে তাকে গোসল করানো এগুলা দেখে আম্মু আর পরে কিছু বলে নাই।
বাসায় আনার পর টুনি কে গোসল করালাম । বাসায় পাউডারের দুধ ছিল গুলিয়ে দিলাম। সে সুন্দর করে খেতে লাগলো। আমার ওর খাওয়া দেখে যে কি ভালো লাগছিলো তা বলে বুঝাতে পারবো না। এভাবেই দিন যেতে থাকে। আমি সারাদিন ওকে নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকি। আমার যেনো ওর প্রতি অন্য রকম একটা ভালোবাসা কাজ করতো। কিছুদিনের মধ্যে আমি ওর একটা নাম রাখি। নামটি হলো টুনি। খাবারের দিকে ও অনেক ভালো। যা দিতাম মোটামোটি তাই খেত। টুনি আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলো। আমিও টুনিকে সাথে নিয়ে এখন ঘুমাই। টুনিকে না দেখলে এখন আমার আর ভালো লাগে না।
সে মনে হয় এখন আমাকে তার মা হিসেবে চিনে। আমি যেখানে যাই সে এখন আমার পিছন পিছন আসে। আর আমি ডাক দিলে ও যেখানেই থাকুক না কেন আমার কাছে ছুটে আসবেই। টুনি এখন আমার জীবনের একটা পার্ট হয়ে গেছে। আমি যখন সাজুগুজু করি তখন সে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। তখন আমিও টুনিk শাড়ির আঁচল দিয়ে ঢেকে দেয়। আমার ভালো লাগে অনেক টুনিকে। কারণ সে এখন আমার বাদ্ধ হয়ে গেছে। সারাদিন দুষ্টামি খেলাধুলা কথা বলা অনেকটাই সময় যাই আমার টুনির সাথে কথা বলে।
বন্ধুরা আমি আমার টুনি সম্পর্কে আপনাদের সবকিছু বলতে পেরেছি আশাকরি। আমি আশাকরি আপনারা আমার পোস্ট পড়বেন। যদি আমার টুনির সম্পর্কে আপনাদের আর কিছু বলার থাকে আমাকে কমেন্ট করতে পারেন। আমি আশাকরি আপনারা আমার লেখাটি পছন্দ করবেন। ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে।