আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আমরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ভাল আছেন।আপনারা যে নদীটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি হল পদ্মা নদী। বাংলাদেশের একটি অন্যতম নদী হলো পদ্মা।নেপালের সেই হিমালয় থেকে সৃষ্টি হয়ে ভারতে প্রবেশ করে এই নদী। ভারতে এই নদীটির নাম হল গঙ্গা।গঙ্গা নদী ভারতবাসীর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই নদী হল তাদের কাছে মায়ের সমান।গঙ্গার পানি শুদ্ধ পানি আমাদের দেশে এই নদী রাজশাহী দিয়ে ঢুকেছে। সব মিলিয়ে এই নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার কাছাকাছি।
বাংলাদেশের রাজশাহী দিয়ে এই নদী আমাদের দেশে প্রবেশ করে এবং বঙ্গোপসাগরে এসে পতিত হয়। তার আগে অবশ্য পদ্মা নদী যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নদী নামে আকার ধারণ করে এবং মূলত মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পতিত হয়। ভারতে ও আমাদের দেশের এই নদীর অনেকগুলো শাখা রয়েছে। এর ভেতর কিছু কিছু নদীর নাম হল পূর্ণভাবা, ভৈরব ইত্যাদি।১০ থেকে ১৫ টির মত জেলার উপর দিয়ে এই নদীটি প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের কাছে নদীটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে কৃষিকাজে এই নদীর ভূমিকা অনেক রয়েছে।
এই নদীর উপরে পদ্মা সেতু চালু করা হয়। পদ্মা সেতু চালু করার ফলে আমাদের দেশে বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক সুবিধা হয়। কারণ দক্ষিণ অঞ্চল হলো নদী ভিত্তিক অঞ্চল।সেসব অঞ্চলের শুধুমাত্র ট্রলার, স্টিমার,জাহাজ দিয়ে চলাচল করা যায়।কিন্তু পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে বর্তমানে পদ্মা সেতুটি দিয়ে গাড়ি ও বিভিন্ন প্রকার ভারী যানবাহন চলাচল করে। যার ফলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই পদ্মা নদীর উপরে প্রতিষ্ঠিত পদ্মা সেত।
পদ্মা নদী হল বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।প্রাচীনকাল থেকে এই নদী ঘিরে অনেক জনপথ সৃষ্টি হয়েছে।এর ভিতর অন্যতম হলো রাজশাহী শহর। রাজশাহী শহর গড়ে ওঠার মূল কারণ হলো এই পদ্মা নদী। রাজশাহী থেকে কিছুদূর গেলেই এই পদ্মা নদীর দেখা পাওয়া যায়।বেশ কয়েক মাস আগে আমি সেখানে গিয়েছিলাম জায়গাটা বেশ অনেক সুন্দর।তখন আবহাওয়া অনেক ভাল ছিল।রাজশাহী শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এই পদ্মা দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। তাই তো ছুটে চলে যাই কখনো কখনো।
জীবনে ঘোরাঘুরি করা দরকার। কারণ ঘোরাঘুরি করলে মন ভালো থাকে। আমি একটু বেশি ঘোরাঘুরি করি। বিশেষ করে নদী এলাকাগুলো আমাকে অনেক ভালো লাগে এবং সেখানকার মানুষজন ও তাদের জীবন যাপন দেখতে অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য।