আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই?আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে খুবই ভালো আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি স্বরচিত একটি ক্ষুদ্র গল্প নিয়ে।গল্পের নাম নিন্দুক এবং আমি
দৈনন্দিন জীবনে চলার সাথে আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব আত্মীয় স্বজন এদের সাথে মিশতে হয়।আমার নিজের চলাফেরার মধ্যে একটি কিছু না কিছু ভুল রয়েছেই।যে ভুল ধরিয়ে দেয় আমি তাকে নিন্ধুক বলে থাকি।আমি নিন্দুক কে ভালোবাসি কিন্তু তিরস্কারককে ভালোবাসতে পারি না।এটা আমার মারাত্মক ভুল।কেননা আমার ভুলগুলো যখন কেউ উপদেশমূলক ভাবে ধরিয়ে দেয় তখন আমি এক কানে শুনি আরেক কানে ভের করে দেই।কেননা উপদেশ মূলক কথা গুলো আমার মনের ভেতরে ক্ষণিকের জন্য স্থান পায়।আর এজন্য আমি সেই উপদেশ মাথায় রেখে ভুল শুধরাতে পারি না।
কিন্তুকেউ যদি আমার ভুল গুলো ত্যারা ভাবে দেখিয়ে দেয় সেটা আমার মন থেকে খুব সহজেই মুছতে পারি না।নিন্দুকের নিন্দনীয় মন্তব্যের কারণে আমি ভুল শুধরানোর জন্য উঠে পড়ে লাগি। এজন্য আমি মনে করি নিন্দনীয় ভাবে যে আমার ভুল গুলো ধরিয়ে দেয় সে অমর একজন ভালো বন্ধু।এজন্যই কবি বলেছিলেন,
এজন্য নিন্দুকের প্রতি উত্তেজিত না হয়ে মনে মনে মনে নিন্দুক কে ভালোবাসি বলার মন মানসিকতা তৈরি করা আমাদের নিজস্ব দায়িত্ব।যেদিন আমরা নিন্দুক কে ভালোবাসতে পারবো সেদিন থেকে আমাদের নিন্দনীয় কাজ গুলো জীবন থেকে কমে যাবে।আমাদের মনে রাখা উচিত নিন্দুকের কথা গুলো তিতো হলেও মিঠা।
আসুন নিন্দুক কে ভালোবাসি নিন্দনীয় কাজ পরিহার করি।