আমার নাম মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন। পিতা মৃত্যু কালুয়া মামুদ, মাতা-মৃত্যু মফিজোননেছা। অামি ৫ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে সবার ছোট। অামার গ্রামের নাম - পশ্চিম চাপড়া বানিয়া পাড়া, ডাকঘর - বাবরীঝাড়, উপজেলা - নীলফামারী সদর, জেলা - নীলফামারী।
অামার গ্রামের পাশ দিয়ে বুড়িখোরা নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীতে অামরা গোসল করি,মাছ ধরি। সাতার কাটি। মাছ ধরার মজাই অালাদা সেটা বলে শেষ করা যাবেনা। অামার বাড়ীর পাশে বানিয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিস্ঠিত হয়েছে। অামি বাবরীঝাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে পাশ করে বাবরীঝাড় দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে কৃতিত্বের সাথে পড়ালেখা করে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম স্থানে পাশ করি।পরবর্তীতে কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করি, এরপর DSK নামক একটি NGO তে চাকরির পাশাপাশি গাজীপুর ভাওয়াল কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অজর্ন করি। অামি বর্তমানে NGO তে অার চাকরি করিনা। অামি যখন ৬স্ঠ শ্রেণীতে উঠবো ঠিক তখনি অামার মা না ফেরার দেশে চলে যান। মায়ের রোগ ছিল, টাকার জন্য ভাল চিকিৎসা করাতে পারিনাই। চিকিৎসা করালে মা ভাল হত। অাসলে সব কপালের লিখন।NGO তে চাকরিকালীন সময়ে অামার প্রানপ্রিয় বাবা অামাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যায়।বংশগত দিক থেকে বাবা প্রামাণিক বংশের লোক ছিলেন। তবুও কখনো বাবা কিংবা অামাদের নামের শেষে অামরা প্রামাণিক শব্দটি লিখি নাই। কেননা অাজ অামরা গরীব। দলিল প্রামানিক, দুলাল প্রামানিকরা বাবার মামাত ভাই। অার অামার মা বানিয়া বংশের। অামার নানা বাড়ী পঞ্চপুকুর। মায়েরা দু বোন,একভাই। মামা মারা গেছেন। অামার মামাত ভাই ডিসি অফিস নীলফামারীতে পিওনের চাকুরি করে। সে অামাদের সাথে যোগাযোগ করেনা। অামার নয় ভাই-বোন এর মধ্যে বাবা অামাকে সব থেকে বেশি ভালবাসতেন। বাবারস্মৃতি অামি অাজও ভুলতে পারিনাই। অামি বাবার জন্য যে টাকা পাঠিয়েছিলাম তাড়া সব হরিরলুট করে খেয়েছে। এখন স্বল্প বেতনে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জুনিয়র অফিসার পদে কর্মরত অাছি। NGO তে চাকরিকালীন অামার অনেক দুঃখের কাহিনী অাছে, অনেক জনের উপকার করেছি তারা অাজ অামায় ভুলে গেছে। অামার পরবর্তী লেখায় সব তুলে ধরবো।
ধন্যবাদ