সেও যদি হয় জামদানি ……..আহা
শাড়ি প্রেমি আমরা শুধু অপেক্ষা করি কোন একটা অকেশন এর জন্য কিংবা দাওয়াত অপেক্ষায় থাকি সেখানে কতক্ষনে আসবে ভালোলাগার যে শাড়িটি আলমারিতে তুলে রাখা হয়েছে কবে সেই শাড়িটি পড়ে নিজেকে মনের মত করে সাজিয়ে আয়নার মধ্যে নিজেকে দেখার কল্পনা যেন চোখে লেগে থাকে আর মুখ সেটা প্রকাশ করেই ফেলি ভাললাগার মানুষের কাছে ।
তেমনি আমিও একটি দাওয়াত পেয়েছিলাম সেখানে যাবার জন্য আলমারিটি খুলে দেখছিলাম কোন শাড়িটি পড়বো কিন্তু কেন জানি কোন শাড়ি আমার মনে ধরছিল না আর অনেক দিন থেকেই আমার জামদানি শাড়ির উপর কেন জানি ভালো লাগা কাজ করছিল তাই ভাবছিলাম নতুন একটা জামদানী শাড়ী কিনবো মার্কেটে গিয়ে ।
মার্কেটে গিয়ে কয়েকটা দোকান ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম জামদানি শাড়ি আছে কিনা সব দোকানে আসলে জামদানি শাড়ি আছে কিন্তু আমি আসলে বুঝতে ছিলাম না কোনটা আসল কোনটা নকল আমি কিছুদিন ধরে সাদা জামদানি শাড়ি খুজতেছিলাম মনে মনে কিন্তু আমি কোথাও সাদা জামদানি শাড়ি পাইনি ।
কয়েকটা জামদানি শাড়ি আমি দেখেছিলাম সেগুলো আমার কাছে খুব ভালো লেগেছিল ভালো লাগলে কি হবে ওই যে আকাশছোঁয়া যার দাম সেকি হাতের কাছে চাইলেই পাওয়া যায় না কয়জনই বা সামর্থ্য আছে ভালোলাগার জিনিসটি হাতের কাছে পাবার তেমনি আমি কয়েকটি মার্কেট ঘুরে ঘুরে অবশেষে নিরাশ বাসায় এসে অনলাইনে কয়েকটি পেজে শাড়ি দেখছিলাম সেখানেও ভালো লাগেনাই আকাশছোঁয়া দাম ।
প্রতিটি জিনিস হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে কেন যেন দিন দিন ভালো লাগা টা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তারপর আর কি পরদিন আবার মার্কেটে গেলাম কয়েকটা শাড়ি দেখে এসেছিলাম সেখান থেকে একটা শাড়ি পছন্দ হয়েছিল যখন পছন্দ হয়েছে লোকটির বুঝতে পেরেছিল ,আমার খুব পছন্দ হয়েছে এজন্য লোকটি শাড়ি টির দাম ছাড়ছিল না একদাম বলে দিয়েছিল পরক্ষণে আমি রাগ করে সেগুলি না নিয়ে কিছু ছবি তুলে এনে আমার মনের ক্ষোভ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম ।
প্রতিটি মেয়েরই আমি দেখেছি শাড়ির প্রতি একটু দুর্বলতা কাজ করে যতই শাড়ি থাকুক না কেন নিত্য নতুন শাড়ি যেন চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে আর ঘুরেফিরে ওই একই শাড়ি এবছর যেটা সে সামনের বছর সেটা থাকে না নতুন কোন শাড়ি আসে ঠিক যেন ১০ বছর আগে যেটা পড়েছিলেন সেটা একটু কারো কাজ করে কিন্তু সব থেকে আলাদা এবং অন্যতম শাড়ি আমার কাছে জামদানি যার চল কোনদিন যাবে না আমাদের বাঙ্গালীদের কাছে বাগানে বাঙালিয়ানায় যেন জামদানি শাড়ি বিখ্যাত ।
এখন উন্নত বাংলাদেশ থেকে আমরা দেশের বাইরে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয় আমাদের জামদানি শাড়ি বুঝতেই পারছেন আমাদের দেশ উন্নতির দিকে পৌঁছিয়েছে রপ্তানিতে দেশের অর্থনীতিকে বিশাল একটি অংশ হিসেবে নিজেদেরকে উপস্থাপন করে রেখেছে ।
এর জন্য আমাদের দেশের তাঁতি ভাইদের ও বোনদের কে জানাই শুভেচ্ছা কান তাদের অবদান অবদান এর কারণেই আমরা এতকিছু দেখতে পাই কিংবা পড়তে পারি জামদানি তৈরি করতে অনেক কষ্ট করতে হয় তাদের অনেকদিন লাগে একটি জামদানি তৈরি করতে এই নিয়ে একদিন আপনাদের কাছে বিশদ ব্যাখ্যা করব ।
বিগত ২০০ বছর ধরে আমাদের বাংলাদেশের একটি জামদানি হাট হয় হয়তোবা বন্ধুরা আপনারা অনেকেই জানেন না এই হাঁটতে হয় ঢাকা জেলায় বেড়াতে কোন একসময় আমারও যাওয়ার ইচ্ছা আছে আমি যদি যেতে পারি তাহলে অবশ্যই আপনাদের মাঝে আমি শেয়ার করব আজ এই পর্যন্তই আগামীতে আসবো নতুন কোন কিছু নিয়ে ভালো থাকবেন ।