দশটা বেজে গেলো, বই পড়তে পড়তে আমার ক্ষুদা বাড়তে লাগোলো , যে ক্ষুদার কথা বলছি তা সাধারন ডাল ভাতে মিটবে নাহ, তা মেটানোর জন্য রক্ত মাংসে গড়া মানুষ লাগবে।যাইহোক ক্ষুদার উৎস্যস্থল খুজঁতে গিয়ে পেলাম হাতের বইটা।বইটাতে সেলিম(আকবরের পুত্র) একাধারে প্রেমিক এবং লালসা প্রিতি তার চূড়ান্ত।ব্যাক্তিগত হেরেম থাকা সত্বেও তার পিতার রক্ষিতাকে চুরি করে ভোগ করতেও সে পিছপা হয় নাহ।
তবে বইটাতে পিতার ভোগ্যপন্য(রক্ষিতা) সন্ত্বান ভোগ করার যে আনন্দ তা যৌনো চাহিদার চাইতেও বড় করে দেখানো হয়েছে।চিন্তা করছিলাম “এম্পায়ার ওফ মুঘোল" “বইটার রচয়িতা এক দম্পতি যুগোল।বইটিতে যে অন্তরংগো দৃশ্যপটগুলো সাজিয়ে লেখা হয়েছে তাতে কার ভূমিকা বেশি।যদিও বইটা পরলে এখনকার ফেমিনিস্ট চিন্তাধারী নারীরা তা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করবে কিন্তু আমি একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখবার চেষ্টা চালাচ্ছি।যদিও মেয়েকে ভোগ্যপন্য হিসেবে দেখানো হয়েছে তবুও আকবরের মাতা হামিদা বেগম, আকবরের স্ত্রী হীরা বাঈ খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছে সাম্রাজ্যের বিস্তার এবং প্রসারে।
এই নিয়ে বিষদ আলোচনা করতে ইচ্ছা করছে নাহ আপাতত, ভাবছি নিজের লালসার কথা।লালসা না বলে আদিম চাহিদা বললে হয়তো ভুল হবে নাহ।ইসলামিক পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থায় পুত্র বালেক হবার পরই তার বিবাহ দিয়ে দেবার কথা বলা হয়েছে কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের এক ছোট্ট দেশে অবস্থান করে সে সম্পর্কে আমার বিদ্রোহ ঘোষনা করার কনো হেতু আমি দেখি নাহ।আগে নিজের পায়ে দাঁড়াও পরবর্তীতে বিবাহ করো কথাটা একই সাথে সত্য এবং তিতাঁ।আমার কাছে মনে হয়, আমরা তৃতীয় দেশের নাগরিকরা সবচাইতে বেশি পরিশ্রম করি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলবার জন্য ততোদিনে নিজের পনেরো বছরে পাওয়া পৌরোষত্বের নবম বছরেও রতিক্রিয়া ছাড়া জীবন, সত্যি বেদিনাদায়ক এবং বিরোহরের। এবং তা নিজের যেকনো প্রতিভা বিকাশের পথের অন্তরায়।
এই সব চিন্তা মনকে শান্ত করবার পরিবর্তে অশান্ত করে দিচ্ছিলো ।ওয়াশরুমে গিয়ে নিজের জমানো খোভ ঢেলে দিয়ে আসতে প্রচুর ইচ্ছা জাগে, কিন্তু নিজের কাছে পণ করেছি যদি নিজের রক্তকণিকা ঢালি তবে তা নারীর সংস্পর্শ ব্যাতীত তাছাড়া আর নাহ।কিন্তু মানুষ অন্যান্য প্রজাতির মতনই একটা প্রজাতি মাত্র, তার যৌনো চাহিদা হয় এবং তা মেটানোর জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে , যা থেকে তৈরী হয় অপরাধ এবং সামাজিক স্থায়ীত্বের পিছনেও তা অন্তরায়।যদি কনসাসলি মানুষ ভূল করে তবে আইনের ভাষায় তাকে বলে ক্রিমিনাল আর সাবকন্সাসলি যদি ভূল করে তবে সমাজ তাকে পাগল বলে।আপাতত ঊপরের দুইটা উপমায় নিজেকে উপমানিত করতে চাচ্ছি নাহ একদমই।
হঠাৎ মনে হলো আংগুলির নখ বড়ো হয়ে গেছে , কাটতে হবে।নেইল কাটার খুজতে খুজতে মনে হচ্ছে আরো সময় লাগুক, ইচ্ছা করে লুকিয়ে থাক বাবা নেইল কাটার, আমার হাতে প্রচন্ড সময়, করনার দিনলিপিতে আমি ছোট ছোট কাজ অনেক বর্ধিত সময় নিয়ে করতে পছন্দ করি ।ভালোই লাগে সময় কেটে যাচ্ছে , বেঁচে আছি , বেচেঁ থাকতে ভালো লাগে ইদানীং যা কিছুদিন আগেও খুব মিজারেবল ছিলো, সে গল্প আরেকদিন বলা যাবে হয়তো!
নখ কাটা শেষ করে এক্সারসাইজের জন্য রেডি হচ্ছিলাম এই ভেবে যে শরীরকে কিছু না কিছুতে শক্তি নিঃসরনের উপায় খুজ়েঁ দিতে হবে নইলে ক্রিমিন্যাল হতে বেশি দিন লাগবে নাহ।
এক্সারসাইজ করে গোসল দিলাম , নিজের লুঙ্গি নিজেই ধুই ইদনীং, মধ্যবিত্ত ঘরের জমিদার আমি, আমার জমিদারিত্ব প্রদান করেছেন আমার মা।মা নিয়ে অন্য কনোদিন লিখবো।ভালোবাসা কি জিনিস আমি তার কাছে থেকে শিখেছি তার বিদ্যালয়ের দুই মাত্র ছাত্র আমি।
খাবার টেবিলে অনেক দিন পর পোলাও আর গরুর মাংসের ঘ্রান নাকে আসছে, কতোদিন হবে ৯-১০ দিন পর হয়তো, কিন্তু আমি মাকে বলেছিলাম যে আমি খানিকটা সুস্থ হলেই যেনো তিনি রেধেঁ দ্যান । … এভাবেই দুপুর শেষ হলো…।
কমেন্ট সেকসনে আপনাদের দুপুর শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন, এই করোনার দিনে হয়তো আমরা সবাই একই সুতায় গাথা …।। হা হা হা
make yourself introduced to my previous post
করোনার দিনলিপি(পর্ব-১)