বাংলাদেশ রেলওয়ে।।। অনেকদিন পর পরিবারের কিছু ছোট সদস্যদের নিয়ে যাত্রা করলাম । তাদের প্রথম ট্রেন যাত্রা।
ট্রেন যাত্রা সব সময়ের জন্য সুখকর। তাদের অনুভূতী অনেক ভালো ছিলো। আমরা সৈয়দপুর থেকে যাত্রা শুরু করি। এবং আমাদের গন্তব্যস্থল ছিলো চিলাহাটি। মোটামুটি এক থেকে দেরঘন্টার যাত্রা। নীলফামারী জেলার দুই রেলওয়ে স্টেশন। বরই দুঃখের বিষয় যে ট্রেন 2.57 ঘন্টা ডিলেয় ছিলো। সঠিক সময় মোবাইলে দেখার কারনেই বলতে পারলাম। রুপসা/সীমান্ত এক্সপ্রেস। খুলনা থেকে চিলাহাটি এবং চিলাহাটি থেকে খুলনা প্রত্যেকদিন দুইবার করে যাওয়া আসা করছে এই দুইটি ট্রেন।
বিকেল বেলার যাত্রায় নতুনদের প্রকৃতি দেখার অনেক ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু ট্রেন দেরি হওয়ার কারনে সেটা হয়ে উঠে নাই। তবে সুর্য্যের আলো যতটুকু সময় ছিলো এতেই তাদের অনেক মজা লেগেছে।
দরজার পাসে দাড়িয়ে অপরুপ সুন্দর প্রকৃতি সাথে ঠান্ডা হিমেল বাতাস,,, আহ্ মনে হয় যেনো জসীমউদ্দিনের কবিতা। কিছুক্ষন পর পর ঝালমুড়ি ওয়ালা, পাপর ভাজা, পেয়ারা মাখা, খেজুর ওয়ালা আগমন হচ্ছে। এতে আমার পকেট ফাকা হচ্ছে আর ওদের পেট ভরতেছে।
চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশনে নামলাম আনুমানিক 7.00 টার দিকে। এক আত্বীয়ের বাসায় ছিলাম। পরেরদিন ভারতের বর্ডারের কাছাকাছি গেলাম। বাংলাদেশ-ভারত রেলওয়ে সংযোগস্থল। এখনো চালু হয় নাই তবে কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। অতিশীঘ্রই চালু হবে এমনটাই আসা রাখি।
চিলাহাটিকে রেলওয়ে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়েছে এবং এটার কাজ শুরু হয়ে গেছে। উত্তরবঙ্গের রেলগেট বললেও ভুল হবে না। এল স্থলবন্দর চালু হলে দুইদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষার আরোও উন্নতি হবে।
চিলাহাটির মনোরম গ্রাম্য পরিবেশে ঘোরাঘুরি। দিনশেষে যাত্রা অনেক সুন্দর ছিলো।