জীবন যখন নাটক, তখন সব চরিত্রের লোক দিয়েই সমাজ বা জীবন চালিত হয়। মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হচ্ছে চরিত্র। মানুষের সামাজিক পরিচয়টা গড়ে উঠে চারিত্রিক বৈশেষ্ট্যের উপর ভর করে।
এই ছোট জীবনে আপনি আপনার জীবনের সময় অনুযায়ী বিভিন্ন চরিত্রের মানুষ পাবেন। আপনার বয়স যখন অনেক কম, তখন আপনি সেই সময়ের সুন্দর কিছু মুহুর্তের স্বাক্ষী হয়ে থাকবেন। জীবনকে উপভোগ করবেন। কোন এক বিশেষ দিনের কথা খেয়াল কখনো হাসবেন কখনোবা কাদবেন।
আপনার বয়স বাড়তে থাকবে ততই আপনার আসে পাশের লোকের চরিত্র বদলাতে থাকবে। আপনি বুঝতে পারবেন আপনি সেই ছোট শিশু নাই, আপনার আসে পাশের পরিবেশ সেই আগের মত নাই।
যত দিন যাবে আপনার মনে হবে পৃথিবীটা বরই স্বার্থপর। স্বার্থপর এই ধরনীর মানুষকুল।
আপনি রাস্তার পাসে বা এমন জায়গায় যেখানে মানুষের উপস্থিতি আছে, এমন জায়গায় কোন বিপদে পড়েন দেখবেন কেউ এগিয়ে আসবে না আপনাকে বাচাতে,, সবাই তখন মোবাইলে ব্যাস্ত সোস্যাল মিডিয়ায় ভিডিয় শেয়ার করে তারাই তখন বলবে, মানুষ স্বার্থপর, লোকটার বিপদে কেই এগিয়ে আসলো না।
চায়ের টেবিলের ঝড়ের মত সোস্যাল মিডিয়ায় ঝড় শুরু হয়ে যাবে। তখন অনেক ভালো মানুষ, নেতা, নেতার বড় ভাই, সহমত ভাই, ঞ্জ্যনী ভাই থেকে শুরু করে মন্তব্য করতে বিরত থাকা প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যাবে।
তবে সবাই সমান না। কারন নাটকে সবার চরিত্র এক না। ভালো চরিত্র ছাড়া সমাজ অচল হয়ে যাবে। আপনাকে বুঝতে হবে আপনি কোন চরিত্রের জন্য এই ধরনীতে এসেছেন। এটা বুঝতে আপনাকে শুধু আপনার বিবেককে প্রশ্ন করতে হবে। এতটুকুই আর কিছু না। আপনি বুঝে যাবেন আপনি কোন চরিত্রের জন্য মানানসই।
কারন মানুষের বিবেক কখনই তাকে ধোকা দেয় না বা ভুল চরিত্রের দিকে নিয়ে যায় না। একজন রোজাদার ব্যাক্তি যেমন বুঝতে পারে রোজার মহিমা তেমনি চারিত্রিক দিক দিয়ে ভালো একজন মানুষ বুঝতে পারে ভালো চরিত্রের ফজিলত।
"চরিত্র হারিয়ে গেলে সব হারিয়ে যায়।"
. - বিলি গ্রাহাম
সবশেষে নাটকের সমাপ্তীতে আপনার মূল্যায়ন হবে আপনি কোন ভুমিকায় জীবন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।