প্রথমেই @Hivecommunity কে ধন্যবাদ জানাই এবং
কে অসংখ্য ধন্যবাদ অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে। যাদের জন্য আমি বেশি উৎসাহ পেয়েছি। কারণ তারা আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় লেখার সুযোগ দিয়েছেন। তাদেরকে ধন্যবাদ। আমার পুত্র
এর উৎসাহে ও অনুরোধেই এই কমিউনিটিতে ঢুকেছি।
আমি পরিজিত রায়। আমার বাড়ি বর্ধমানের পালসিট গ্রামে। আমি 1.5 বছর হল এই গ্রামে বসবাস করছি। কারন আমি উত্তর 24 পরগনার বারাসাতের বাসিন্দা। বর্তমানে আমি নতুন গ্রামে এসে বাড়ি করার ফলে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তারপর কারণ আমাদের পূর্বের গ্রামের বাড়িতে 2 বিঘা ভিটা ছিলো। 3 টা পুকুর ছিলো 25 টা নারকেল গাছ ছিলো। এমনকি অনেক গুলি গরু ও ছিলো। এ ছাড়াও প্রচুর ফলের গাছ ছিলো ।যার ফলে আমাদের মোটেও জ্বালানির সমস্যা হত না।কিন্তু নতুন জায়গায় এসে জ্বালানির সমস্যার কারণে আমাকে কাঠ সংগ্রহ করতে হয়।
■ কিন্তু আনন্দের সাথে বলছি আমাদের বাড়ি থেকে 1 কিলোমিটার দূরে প্রায় 100 তাল গাছ আছে। যে গুলি সরকারি গাছ। ওখানে অনেকেই কাঠ সংগ্রহ করে। আমাদের পরিবার ও আমরা ওখান থেকে কাঠ সংগ্রহ করে জ্বালানি সমস্যা সমাধান করি। আজ আমি কিভাবে তাল গাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করেছিলাম। এমনকি কাঠ মাথায় করে বয়ে নিয়ে এসেছিলাম। বাড়িতে তাল গাছের ডাল পাতা কেটে গুছিয়ে রেখে দিয়েছিলাম সমস্ত কিছু শেয়ার করবো।
প্রথমে আমি বড় কঞ্চির মাথায় কাটারি বেধে নেবো
যখন তাল গাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করছি
যখন মাথায় করে তাল পাতা বয়ে নিয়ে আসছি
তালের পাতা গুলি এক জায়গায় রেখে দিলাম
তাল পাতা গুলো কেটে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে রাখবো
কাঠের মাচানে কাঠ গুছিয়ে রাখা হয়েছে
এটা গ্রামের মানুষের জীবন যাত্রার একটা চালচিত্র বলতে পারেন। অনেক গ্রামেই এভাবেই মানুষ কাঠ সংগ্রহ করে জ্বালানি সমস্যা সমাধান করে। ফলে জ্বালানির খরচ বেঁচে যায়। আশা করি আপনাদের আমার কাজের ছবি গুলি ভালো লাগবে।
My son (simaroy) captured all images .
Photography on me and my works.