”সফলতার বিড়ম্বনা”
সাধন চন্দ্র বর্মন
ভ্রাতা, আপনার জীবনের সফলতার হেতু কি জানিতে পারি?
কি করিয়া আপনি উন্নতির চরম শিখড় অবধি পেীঁছাইয়া গেলেন?
কি ছিল আপনার হাতিয়ার, কেইবা ছিল প্রেরনা!!
মম হেতু, কতোই না খুঁজিয়াছি,
কত শত কাঁঠ-খড় দহন করিয়াছি,
উন্নতি আর সফলতা বলিতে,
কাঠ-খড়ের পরিবর্তে আজকাল প্রাকৃতিক গ্যাস দহন করিতেছি।।।
দূর্ভাগা ললাট সমেত আমি ধরিত্রির বুকে জন্ম লহিয়াছি,
দুঃচিন্তা এবং হাতাশা মোর পরমমিত্র,
তাহারা আমার ললাটের লিখন পরিবর্তন না করিয়া,
করিয়াছে তাহার পরিধি বিস্তার!!
সফলতা, তুমি কি হে মরিচীকা!!
নাকি বিষধর কোন স্বর্পের মস্তকের মনিমুক্তা,
নাহ, তুমি নহে।
তুমি বটে, কোন সুন্দরী ছলনময়ী নারী।
ওহে সফলতা, তুমিতো বড়ই আলোচিত,
বিফল মানুষ আমি তাইতো আমি সমালোচিত।
সফলতা, সকল জয়ধ্বনি আজ তোমার নামে,
তবেই তুমিই কি মোদের পরমেশ্বর?
অনেক হয়েছে, অনেক হচ্ছে, অনেক হবে,
না, না, এভাবেতো আর চলতে দেয়া যায় না,
অনেকে কেঁদেছে, অনেক কাঁদছে,
না না, আর কোন কান্না না।
ভ্রাতা তুচ্ছ জ্ঞান করিয়াছো অনেক,
অনেক হয়েছে হাসি তামশা,
আজ আমি সফলতার মানে জানি, জানি সংজ্ঞা।
দোষারোপ করিয়াছি নিজের ললাটের লিখনকে,
শত শতবার দোষ দিয়েছি করুন বাস্তবতাকে,
সকলে মোরে শিখাইয়াছিলো ছুটে চলো সফলতার পিছু।
নির্বোধ, আবাল এবং জ্ঞানহীন ছিলাম আমি,
আমি আজ জাগ্রত হইয়াছি, জাগ্রত হইয়াছে মোর চিন্তা,
সফলতা সেতো সত্যি সত্যিই মরিচিকা,
সত্যি শুধু মম চেতনা।
বাস্তবতা সদায় মোর অনূকুলে ছিলো,
ভাগ্য দেবীও ছিলো সহায়,
দোষারিবো কাহারে আজ আমি,
কারন প্রতিকুল ছিলো মোর মানসিকতা।।।