রাতের হাতিরঝিল
আমি ঘুরতে ভালোবাসি। তাই আমি মাঝে মাঝে হাতিরঝিল ঘুরতে যাই। কোনো কোনো সময় একা আবার কোনো সময় বন্ধুদের সাথে। সেখানকার পরিবেশটা অনেক সুন্দর। আমার সেখানে যেতে অনেক ভালো লাগে। সেখানে রয়েছে অনেক গাছ পালা এবং একটি বড় লেক। সেখানকার আবহাওয়াটা যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটা যেন প্রকৃতির এক মেলবন্ধন । যেখানে তারা তাদের অপরূপ সুন্দর্য দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে। সেখানেই যেন প্রকৃতির আসলে রূপ প্রকাশপায়। যা, বলে বুঝতে পারবোনা। সেখানটা যেমন প্রকৃতির আড্ডা তেমনি রয়েছে মানুষের আড্ডা। এই প্রকৃতিকে ছাড়া যেন মানুষ টিকতে পারে না। এর মাধ্যমেই গড়ে উঠে মানুষ আর প্রকৃতির মধ্যে একটা বিশাল বড় সম্পর্ক।
আমাদের এই দেশটা তার প্রাকৃতিক সুন্দর্যের জন্য অনেক বিখ্যাত। কিন্তু বর্তমানে আমাদের এই ঢাকায় এই রকম পরিবেশ পাওয়া অনেক মুশকিল। এই হাতিরঝিলের কারণে সেটা একটু সহজ হয়ে গেছে। আমি সেখানে আমার বন্ধুদের সাথে যাই। কিন্তু সেখানে এবসে থাকিনা বরং অর্ধেকটা হাতিরঝিল চক্কর দিই । এতে করে আমার একটু হাঁটাও হয়ে যায় আবার পরিবেশটার মজাও নিতে পারি। আসলে ঘুরাতে আমাদের শরীরের জন্য অনেক দরকার। এতে করে আমাদের মনের সব একঘেয়েমি দূর হয়। আমি প্রায় ২ - ৩ দিন পর পর সেখানে ঘুরতে যাই। আবার মাঝে মাঝে পরিবার নিয়েও যাই।
হাতিরঝিলে রাস্তা পার হওয়ার জন্য অনেক গুলো জেব্রাক্রসিং ও ওভারব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে কিন্তু সেখানকার মানুষগুলো ওভারব্রিজ ব্যবহার করেনা বললেই চলে। সেখানে কিছু কিছু লোক আছে যারা ওভারব্রিজের সিঁড়িতে বসে নেশা করে। এত সুন্দর একটা জায়গায় এইসব একদম শোভা পায়না।হাতিরঝিল এমন একটি পরিবেশ যেখানে মানুষ একটু সময় কাটাতে আসে কিন্তু এইসব হলে অনেকেই সেই জায়গাটার প্রতি একটু বিরক্তি আনবেন। আমাদের প্রশাসনের উচিত এইসব কর্মকান্ড এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া।
হাতিরঝিলের কিছু কিছু কমিউনিটি আছে যারা কোন বড় অনুষ্ঠানএ অনেক টাকা খরচ করে অনেক গুলো আতশবাজি ফোটেয়। এই সব শুধু আমাদের আনন্দের জন্য করে। কিন্তু অনেক সুন্দর দেখায়। প্রথমে ৩-৪ মিনিট পর পর ১ করে বাজি ফোটানো হয় যাতে করে মানুষ বুঝতে পারে একজন বাজি ফুটাবে এবং সত্যি একসাথে জড়ো হবে হাতিরঝিলের সামনে। যখন প্রথম প্রথম বাজি ফুটানো হয় তখন সব মানুষ দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। তখন কুকুরগুলো ও মানুষের সাথে সাথে দৌড়াতে থাকে। সব মিলিয়ে যেন অনেক সুন্দর একটা দৃশ্য।আজকে আমার লেখা এখানেই শেষ করলাম। ধন্যবাদ সবাইকে