আমার জীবনের সব থেকে আনন্দের মুহূর্ত গুলো তখনি হয় যখন আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে থাকেন। আসলে আমি খেয়াল করেছি , জীবনের যদি সব থেকে আনন্দের মুহূর্ত গুলো বেশির ভাগ সময় বন্ধু বান্ধব দের সাথেই থাকা হয়। হয়তো আপনার ক্ষেত্রে বেপারটা আলাদা কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সব সময় আমার আনন্দের মুহূর্ত গুলো বেশির ভাগ সময় বন্ধুদের সাথেই কাটিয়েছি। যেমন ; প্রায় ২ বছর আগের কথা আমরা সব বন্ধুরা মিলে ছাদের উপরে বসে একটা পার্টির আয়োজন করেছিলাম। সেখানে আমরা কি যে মজা করেছিলাম আমি সেটা মুখে বলে প্রকাশ করতে পারবনা ।
আচ্ছা যাইহোক , আসলে আবার তো আমরা শীতের সময় বাড়িতে গিয়েছিলাম। প্রায় ৩ বছর ধরে শীতকালে গ্রামে যাওয়া হয়না। এই বছর যাইহোক , গেলাম কিন্তু একদম স্বল্প সময়ের জন্য। তবুও এই টুকু সময়ের মধ্যে অনেক মজা করেছিলাম। অনেক ঘুরাঘরি রাতের বেলা সবাই মিলে ব্যাডমিন্টন খেলা , সব মিলিয়ে যেন আনন্দ আর আনন্দ। আসলে কি , আমি আমাদের বন্ধুদের তেমন বেশি সময় দিতে পারিনি। কিন্তু তবুও তারা অনেক চেষ্টা করে যাতে আমি যতটুকু সম্ভব আনন্দ করে যেতে পারি ।
আসলে আমি আমার জীবনে যত গুলো বন্ধু পেয়েছি সব গুলো আমার প্রতি অনেক যত্নশীল। এমন বন্ধু পাওয়া হয়তো ভাগ্যের বেপার। সব সময় তারা আমাকে বিপদেসাহায্য করেছে। তারা স্বার্থপর না। সব সময় অন্যের কথা চিন্তা করে। সেটা ভালো হবে কিনা অন্যের জন্য , আমি ছোট বেলা থেকে ওদের সাথে থেকে বড় হয়েছি। যদিও ওদের সাথে থাকি না। কিন্তু সত্যি বলতে ওরা অন্যের সাথে যেমনই আচরণ করুক আমার সাথে অনেক ভালো ব্যবহার করে।
ঐদিন সকালে হটাৎ করে আমার ঘুম ভেঙে যায় , সকালে উঠে দেখি ওরা আমাদের বাড়ির সামনে বসে আছে , জিজ্ঞেস করলাম কি হলো এত সকালে এখানে , পরে বলে যে ওরা আজকে কোথায় একটা জায়গায় ঘুরতে যাবে , আর আমাকে নেয়ার জন এখানে বসে আছে। পরে আমি বললাম আমাকে তো গতকাল রাতেও বলতে পারতি। পরে ওরা বললো যে কালকে রাতেই ওরা প্ল্যান করেছে ঘুরতে যাবে। সেই জন্য আমাকে বলার সময় পাইনি ।
আচ্ছা যাই হোক , ঐদিন আমরা যেখানে ঘুরতে গিয়েছিলাম এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ ছিল জায়গাটা। আমি তো ভেবেছিলাম হয়তো অনেক ঠান্ডা লাগবে। আর সেই জন্য তেমন বেশি একটা মজা পাবো না . কিন্তু না যাওয়ার সময় হেটে হেটে গিয়েছিলাম আর তখনি শরীর থেকে ঘাম বের হতে শুরু করে। আর যাওয়ার পর যখন নদীর পাশে দাঁড়ালাম তখন আবার শরীরটা ঠান্ডা হয়ে যায়। আসলে আনন্দ এর আগেই কখনোই পাইনিআবার কখন যাওয়া হবে বাড়িতে সেটা কেউই জানে না।
আর না হলেও ২-৩ বছর। তখন হয়তো তেমন অবসরও থাকবোনা ঘুরতে যাওয়ার মতো। আবার যে বাঁচবো সেটারও কোনো গেরান্টি নাই। যাই হোক , এখন শুধু সময় হাতের আঙুলে সেই বছর গুলোকে গোনা।
আবার কখন যাওয়া হবে বাড়িতে সেটা কেউই জানে না। আর না হলেও ২-৩ বছর। তখন হয়তো তেমন অবসরও থাকবোনা ঘুরতে যাওয়ার মতো। আবার যে বাঁচবো সেটারও কোনো গেরান্টি নাই। যাই হোক , এখন শুধু সময় হাতের আঙুলে সেই বছর গুলোকে গোনাআবার কখন যাওয়া হবে বাড়িতে সেটা কেউই জানে না। আর না হলেও ২-৩ বছর। তখন হয়তো তেমন অবসরও থাকবোনা ঘুরতে যাওয়ার মতো। আবার যে বাঁচবো সেটারও কোনো গেরান্টি নাই। যাই হোক , এখন শুধু সময় হাতের আঙুলে সেই বছর গুলোকে গোনা।