বন্ধুরা আজকাল আমার ধৈর্য্য বেশ করে গেছে।
জানিনা হয়তো বয়স বাড়ার সাথে সাথে এমনটাই হয়।
যখন আমি চাকরি করতাম, তখন এতো বেশি ধৈর্যচ্যুতি কখন ধৈর্যহারা হতাম না।
একটা কাজ একবার না হলে পুনরায় সেটা করবার চেষ্টা করতাম। কিন্তু এখন মনে হয় নাই বা কিছু কাজ সম্পূর্ণ হলো, অনেক কাজ তো সম্পূর্ণ করে যাচ্ছি। একটা আধটা অসম্পূর্ণ থাকলে বিশেষ ক্ষতি নেই।
দায় দায়িত্ব পালন করতে করতে কখন যে এতগুলো বছর পার করে দিলাম বুঝে উঠতেই পারিনি।
যদিও শেষ জীবন বৃদ্ধাশ্রম এই কাটাবো সেটা ঠিক করেই রেখেছি মেয়ে এবং স্ত্রী কে নিয়ে।
না তারা রাজি কারণ আমার মেয়ে কে অনেক বুঝিয়েও বিয়ে করতে রাজি করাতে পারিনি। তাই এখন সেই চেষ্টাই বাদের খাতায় দিয়ে দিয়েছি। ওই যে বললাম আজকাল বিশেষ ধৈর্য্য নেই কোনো ব্যাপারে।
আজকাল কার ছেলে মেয়েরা একটু অন্যরকম, কোনো বিষয় নিয়ে বেশি জোরাজুরি করলে ভুল পথ বেছে নেবার একটা প্রবণতা দেখতে পাওয়া যায়।
যুগ বদলাচ্ছে তার সাথে বদলাচ্ছে সব মানুষের চিন্তা ধারা, ছোটবেলাতে ডিপ্রেসন এর মানেই বুঝতাম না! শুধু ভালো লাগা আর খারাপ লাগাই বুঝতাম। আজকাল খারাপ লাগার নতুন নামকরণ হয়েছে ডিপ্রেসন।
যাক আমার নিজের মত পোষণ আমি করতে চাই না, শুধু জানি আমার মন খারাপ হলে আমি বেরিয়ে পড়ি। প্রকৃতির কাছে নিজের শান্তি খুঁজে পেয়ে যাই।
আবার কিছুদিন এর মধ্যেই বেরিয়ে পড়বো শান্তির খোঁজে।
সংসার এর বেড়াজাল বড়ো সাংঘাতিক। চাইলেই বাঁধন ছিঁড়ে বেরোনো যায় না, অন্তত আমাদের সময় যেত না, এখন তো কথায় কথায় সেপারেশন।
তাহলে কি শুধু বয়স বাড়লেই ধৈর্য্য কমে যায়?
আজ এই পর্যন্তই, ভালো থাকবেন সবাই। নিজের খেয়াল রাখবেন।