বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সমস্ত নিয়ম মেনেই রোজকার দিন অতিবাহিত করছেন আপনারা।
আজ আমার উপলব্ধির আরো একটি পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হলাম।
এমনটা আমাদের সাথে অনেকসময় হয়েই থাকে যখন একসাথে অনেক বছর থাকার পর ও অনেক বিষয় পরষ্পরের সাথে অনেক বিষয় নিয়ে মতানৈক্যতা এবং মনোমালিন্যতা থেকেই যায়।
এটা কিন্তু কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়, তার কারণ প্রতিটি মানুষ স্বভাবগতভাবে, আচরণগতভাবে , মানসিক পরিকাঠামোর নিরিখে ভিন্ন।
তাই আমার মনে হয় যতদিন পৃথিবীতে মানব সমাজের অস্তিত্ব আছে মতানৈক্যতা এবং মনোমালিন্য লেগেই থাকবে।
তাহলে কি করণীয় আমাদের? বিচক্ষণতা বলে আমরা যদি এই পার্থক্যটা বুঝতে পারি যে প্রতিটি মানুষ ভিন্ন এবং তাদের চিন্তাধারা আলাদা তাহলে সমস্যাটা অনেকটা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
তবে যেটা আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত সেটা হলো এটা আশা করা যে আমার চিন্তাধারা ই শ্রেষ্ঠ এবং আমার থেকে জ্ঞানী মানুষ পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই।
কাজেই আমার ধ্যান ধারনা সঠিক এবং সেটাই মেনে চলার একটা চাপ সৃষ্টি করা ই মনোমালিন্য তার কারণ হয়ে ওঠে।
আমাদের প্রথমেই বুঝতে হবে প্রতিটি মানুষ এর বাক স্বাধীনতা আছে, এবং মতামত রাখার অধিকার।
হতেই পারে আমার যেটা পছন্দ, আমার ভালো লাগা টা অন্যের ভালো নাই লাগতে পারে।
সুস্থ মানসিকতা বলে এই পরিবর্তন টা বোঝাই হলো সমাধান মনোমালিন্য তার।
নিজের মতামত অবশ্যই রাখুন কিন্তু সেটা দয়া করে অন্যের উপরে চাপিয়ে দেবেন না, দেখবেন জীবনের অনেক সমস্যা থেকে বেঁচে যাবেন।
আজ এখানেই শেষ করছি, ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবাই।
নমস্কার।