বাংলাদেশের শিক্ষা বাবস্থা যদি এমন হতো যে , শিক্ষা গ্রহনের পর তাকে আর বেকার বসে থাকতে হচ্ছে না তাহলে কেমন হতো ?সবাই বলবে নিশ্চই ভাল । একজন শিক্ষার্থীকে যদি তার পছন্দ মতো একটি বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া হয় এবং জ্ঞান চর্চার বিষয়টা তার উপর উন্মক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে তার শিক্ষার প্রতি অনেক বেশি আগ্রহ থাকত ।
যেমন একটি ছেলে হইতে চায় ডাক্তার তাকে সমাজ বই মুখস্থ করানো হচ্ছে তাকে সাহিত্য মুখস্থ করানো হচ্ছে । একজন শিক্ষার্থী হতে চায় সাহিত্যিক তাকে জোর করে বিজ্ঞান মুখস্থ করানো হচ্ছে ।বরং শিক্ষার নামে তার প্রতিভাকে ধ্বংস করা হচ্ছে ।
জানা মতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীরই একটি পছেন্দের বিষয় থাকে ।কিন্তু বাংলাদেশে উপযুক্ত পরিবেশ না থাকার কারনে তার প্রতিভা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ।
ধরাযাক একজন শিক্ষার্থীর ইচ্ছা কম্পিউটার প্রকৌশলি হওয়ার ।ছোট বেলা থেকেই তার পড়াশুনার কেন্দ্র হবে কম্পিউটার তাছাড়া অন্য কিছু নয় ।
তবে তার জন্য উন্মুক্ত জ্ঞান চর্চার জন্য থাকবে অফুরন্ত বইয়ের সমাহার ।যা থেকে তার ইচ্ছামত জ্ঞান আহরণ করে নিতে পারবে ।
আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের বইয়ের বোঝা মাথায় চাপিয়ে দিয়ে তাদের প্রতিভা ও জ্ঞানকে ধ্বংস করে দেয় ।
কাজেই আমাদের দেশের শিক্ষা বাবস্থার পরিবর্তন আনা দরকার । তাকে শেখার সুযোগ দেওয়া দরকার সে কোন বিষয় পড়তে বা জানতে ইচ্ছুক । হাজার হাজার বই মুখস্ত করলেও মানুষ জ্ঞানী হয় না যদি কি না সে বই থেকে জ্ঞান আহরণ করতে না পারে । তাই আমাদের পড়াশুনা হোক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রিক আর জ্ঞান চর্চা হোক উন্মুক্ত ।