শত ক্ল্যান্তি ও একগাদা সমস্যা দিয়ে ভরপুর আমাদের এই জীবন। এই ব্যস্ত জীবনে নিজেকে একটু রিফ্রেশ রাখা অত্যান্ত জরুরী । কেননা মন যদি ভালো না থাকে তাহলে কোন কাজ ঠিক ভাবে করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া ছাত্রজীবনে মেডিটেশনের ভুমিকা অনেক । আমাদের মস্তিষ্ক ও মন যদি সঠিক ভাবে কাজ না করে তাহলে পড়া ভুলে যেতে হয় তাছাড়া আরো বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুক্ষিন হতে হয়। তাই এই পোস্টে আমি ছাত্রজীবনে এবং দৈনন্দিন জীবনে মেডিটেশনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করবো ।
মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা মস্তিষ্ক হতে সকল সমস্যার চিন্তা ভাবনা যার ফলে মস্তিস্কের ধারন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । ছাত্রজীবনে যদি দৈনিক ২০ থেকে ২৫ মিনিট যাবত যাবত মেডিটেশন করা যায় তাহলে পড়াশুনায় মনোযোগী এবং ঐ পড়া অনেকদিন যাবত মনে থাকে। তাছাড়া ছাত্রজীবনে ভালো ফলাফল করতে হলে মানসিকভাবে সুস্থ থাকাটা অত্যান্ত জরুরী ।
মেডিটেশনের মাধ্যমে মনোযোগশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি দেয়। ছাত্রজীবন এমন একটা সময় যেই সময়ে মাথার মধ্যে নানা ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। কেউ রেজাল্ট নিয়ে চিন্তিত, কেউ আবার প্রেমিকা নিয়ে চিন্তিত । এই নানা চিন্তার কারনে ডিপ্রেশনে ভুগতে হয়, যার ফলে এক্সামে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। তাই প্রতিনিয়ত যদি টাইম টেবিলে মেডিটেশনের জন্য একটি সময় নির্ধারন করে রাখা হয় এবং সেই অনুযায়ী মেডিটেশন করা হয় তাহলে আজেবাজে চিন্তা থেকে নিজের মস্তিস্ককে রক্ষা করা সম্ভব ।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন অল্পতেই রেগে যান, আর এই রাগের কারনেই আপনার নানাভাবে ক্ষতি হচ্ছে । কিন্তু কিভাবে এই রাগি মেজাজ থেকে মুক্তি পাবেন সেটা খুজে পাচ্ছেন না। তাই, আমি সেই সব রাগি মানুষদেরকে মেডিটেশন নিতে সাজেস্ট করবো। এটি একটি ঔষধ হিসেবে কাজ করে। এটি আপনার ভিতরের হিংসা , লালসা , রাগ, যন্ত্রণা ইত্যাদি থেকে মুক্তি দিবে । তাছাড়া মেডিটেশনের মাধ্যমে দেহের হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায় ।
মেডিটেশন আমাদের খারাপ অভ্যাস বা বদভ্যাস গুলো ত্যাগ করতে অনেক সাহায্য করে। আমরা অনেকেই জানিনা যে আমাদের ব্রেনের সম্মুখদিকে একটি অংশ রয়েছে যার নাম হচ্ছে DORSOLATERAL PREFRONTAL CORTEX (DLPFC) এটি আমাদের ইচ্ছাশক্তি নিয়ন্ত্রন করে। আর মেডিটেশন এই DLPFC এর কার্যকরি গুন বৃদ্ধি করে ।