মশাল মিছিলের কোনো প্রস্তুতির ছবি নয় এটি। মশাল হাতে বেরিয়ে আসা এক মেয়ের গল্প যে মেয়েটি সমাজের অচলায়তনকে পাশ কাটিয়ে মশাল হাতে অপেক্ষা করেছিল প্রিয়তমের জন্য। প্রিয়তম আসতে পারেনি। কেন আসতে পারেনি তা সে জানতে পারে না। মশাল তাকে অন্ধকার দূর করার উপায় দিয়েছিল সে রাতে কিন্তু তার মনের মধ্যে যে কালো অন্ধকার জমা হয়েছিল তার কোনো সীমা ছিল না। তাই তার মন গেয়ে উঠেছিল-
'উজানে ভাসাইলাম নাও
ভাটি কোথাও নাই,
আমি আমার ছিলাম নাকি
তুমি কোথাও নাই'
প্রিয়তম ছুটে যেতে দেরি করেনি সে রাতে কিন্তু সমাজের চোখ তাকে আসতে দেয়নি। তাকে তাড়া করেছিল তাই সে জীবন বাঁচাতে পালিয়েছিল।
প্রিয়তম সোনাইয়ের বাস্তবতা প্রেয়সী পরী জানতে পারেনি। দুইজন দুইদিকে দুই বাস্তবতায় মলিন ছিল।
মশাল হাতে পরীর দাঁড়িয়ে থাকার মুহূর্তটি মনের মধ্যে আগুন জ্বলার প্রতীকী আবহ যেন। সে বলে যায় কানে কানে যে আগুন প্রকাশ্যে জ্বলে লোকে তা নেভাতে ছুটে আসে কিন্তু যে আগুন মনে ধিকিধিকি জ্বলে তা নেভানোর সাধ্য কার!
#মনপুরা