The Titan
পৃথিবীতে জনসংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। লাগামহীনভাবে বাড়ছে, কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা। এভাবে চলতে থাকলে আর দশবছর পর পৃথিবী মানুষ বসবাসের উপযোগী থাকবেনা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি এসব দেখা দেবে। তাহলে কি করতে হবে? আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কিভাবে বাঁচবে? এর জন্য একটা যুগান্তকারী সমাধান বের করেছেন প্রফেসর মার্টিন কলিংউড। তার প্রস্তাবিত এই প্রজেক্ট সমর্থন করেছেন ন্যাটো। কি প্রজেক্ট?
টাইটান। শনিগ্রহের চাঁদ। এই গ্রহ পৃথিবীর মতই অনেকটা। তবে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান অনেক কম। তার বদলে আছে নাইট্রোজেন। আর সেখানকার পানিও এরকম। সাধারণ মানুষ এই পরিবেশে সার্ভাইব করতে পারবেনা। কিন্তু......
যদি মানবদেহের জেনেটিক ইভলোশন করে টাইটানে বসবাসের উপযোগী করা যায়? যদি মানুষকে বানানো যায় অতিমানব? ইভলোশনের ফলে সে পানির নিচে থাকতে পারবে ঘন্টার পর ঘন্টা। নাইট্রোজেনেও নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে। জেনেটিক ইভলোশনের এই প্রজেক্টের নামই "প্রজেক্ট টাইটান"।
আর্মি থেকে বেছে বেছে কয়েকজনকে সিলেক্ট করা হলো এই প্রজেক্টের জন্য। তাদের উপর পরীক্ষা করা হবে ইভলোশন।
স্যাম ওর্থিংটনের অভিনয় ভালো লেগেছিল অ্যাভাটার মুভিতে। তারপর ক্ল্যাশ অফ টাইটান, র্যাথ পফ টাইটান আর তারপর দেখলাম দ্য টাইটান। বেছে বেছে চরিত্র করে এই লোক। তার অভিনিত প্রায় সবগুলো চরিত্রই গতানুগতিক ধারার বাইরের। এই লোকটা যখন অভিনয় করে তখন একদম গল্পের গভীরে ঢুকে যায়। মনেই হয়না অভিনয় করছে, মনে হয় এটাই মেবি ওর জীবন।
ইউটিউবে ট্রেলার দেখেই আগ্রহী ছিলাম টাইটান দেখার জন্য। গতকাল ক্র্যাজিএইচডিতে চলে আসায় ডাউনলোড করে দেখে ফেললাম। প্লটটা একদম যে আনকমন তা নয়, এই প্লটে আগেও অনেক মুভি হয়েছে। তবে সবগুলো থেকে এটাকে আমি একদমই আলাদা রাখব। দুই তিন বার দেখার মত মুভি হয়তো এটা না। অথবা একদম হৃদয়ের গভীরে দাগও কাটতে পারেনি। তবে উপভোগ্য ছিল বেশ। আমার সময়টা অন্তত নষ্ট হয়নি। আপনারা দেখতে চাইলে দেখবেন না দেখলে নাই, আমার কী।