আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন আপনারা সবাই আশা করি ভালই আছেন আমিও ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে কিছু কথা শেয়ার করি কিছু জমিয়ে রাখা কথা আসলে জৈষ্ঠ মাসের খরাতে আমরা কেউ আসলে ভালো নেই সূর্য্যি মামা যেন মামের সঙ্গে ঝগড়া করে আমাদের উপর রাগ হয়ে আমাদেরকে তাপ দিতেছে প্রতিনিয়ত তাই যেন কোথাও শান্তি মিলছে না প্রচন্ড খরা বৃষ্টির দেখা নেই মেঘ যেন কোথাও জমছে না|
ঝড় এলো এলো ঝড় আম পড় আম পড় কাঁচা আম ডাসাম টক টক মিষ্টি এই যা এলো বুঝি বৃষ্টি
ছোটবেলার কথা আসলে ভোলার মত নয় ছোটবেলাটা আমার কেটেছে গ্রামে গ্রাম্য পরিবেশে বড় হয়ে আসলে শহরের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াটা কিন্তু আসলেই খুব কঠিন তারপরও নিজেকে ধরে রাখতে হয় নিজের সংসারে এবার আর বাড়ি যাওয়া হয়নি তাই আর আম গাছ থেকে পেড়ে খাওয়া হয়নি বাতাস হলে দৌড় দিয়ে আম করানো হয়নি এই জিনিসগুলো আসলে আমি খুব মিস করছিলাম|
আগে সবাই মিলে ঝড় এলেই গাছের নিচে চলে যাইতাম দৌড় দিয়ে আম গাছের তারপর হচ্ছে যে কয়টা আম পড়তো কে কার আগে নিতে পারে এই কম্পিটিশন ছিল আমাদের মধ্যে আসলে গ্রামের চাচাতো খালাতো ভাই বোন আমরা সবাই একসাথেই বড় হয়েছি আজ আমরা ভাইবোনেরা এক একটা ভাই বোন একটা জেলায় এখন আমরা চাইলেও বছরে একবার দেখা হয় না তাই হঠাৎ বাবা বাসা থেকে যখন আম পাঠিয়েছে আমার বাসায় তখন আমার আম গুলা দেখে অনেক স্মৃতি মনে পড়ছিল এই স্মৃতি গুলো আসলে মুছে ফেলার মত না |
আর মামার বাড়ি জসীমউদ্দীনের কবিতার কথা কার কার মনে আছে আম দেখে যেন কবিতার কথা মনে পড়ে যায় ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ পাকা জামের মধুর রসের রঙিন করি মুখ তাই জৈষ্ঠ মাস যেন আমাদের সবার মুখ রঙিন করতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এত সুস্বাদু ফল আমাদের জন্য পাঠিয়েছেন যেগুলোর মধ্যে আছে পুষ্টিগুণে ভরা আসলে সিজনাল ফলগুলা খাইলে দাঁত থেকে শুরু করে শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গই ভালো থাকে|
আমার বাড়ি যাওয়া হয়নি ঠিকই কিন্তু বাবা মনে করে ভাইকে দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে এটাই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম আর আসলেই বড় হয়ে গেলে তখন আর নিজের একটা সংসার হয়ে গেলে তখন আর বাপের বাড়ির দিকে টানটা আসলে প্রত্যেকটি মেয়েরই মনে হয় কমে যায় তাতে কি হয়েছে আমি না হয় না হয় যেতে পেরেছি কিন্তু আম খাওয়ার তৃপ্তি কিন্তু আমগাছ থেকে আম পেড়ে না খাইতে পারলেও নিজের হাতে ছুরি দিয়ে কেটে আম খেয়ে তৃপ্তি টা মিটিয়ে নিয়েছি|
প্রত্যেক ঘরে বাবারাই এমন প্রত্যেক ঘরের মা বাবা যেন সন্তানের জন্য চিন্তা করে আমি এক আমি না যাইতে পারলেও সব সময় আমার বাবাকে দেখি মাকে দেখে আমার জন্য চিন্তা করতে যে হাজার খেয়ে থাকি না কেন তাদের জন্য নিজের হাতে সন্তানকে না খাওয়ালে তৃপ্তি মেটে না তাইতো এতো আয়োজন করে আমার জন্য কিছু ফল পাঠিয়েছে আর আমি কিছু ছবি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি আর আমার কিছু মনের কথা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম আমি আশা করবো আমার এই ছোট্ট পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে ভালো লেগে থাকলে আমাকে আপনার মতামতটি অবশ্যই কমেন্ট অপশনে জানাতে পারেন|