হ্যাকার যদি একটি ওয়েবসাইটের সার্ভার থেকে ইউজারদের পাসওয়ার্ড ফাইল সংগ্রহ করে ফেলতেও পারে, তারপরও কিন্তু সে পাসওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করতে পারবে না। তার কারণ সেগুলো এনক্রিপ্ট করা। আর এখন কাজে আসবে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাকের ধারণাটাও খুব সহজ। এটি কিন্তু একটি অনুমান নির্ভর প্রক্রিয়া। আরেকটু পরিষ্কার করা যাক। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাকে হ্যাকার একটি সফটওয়্যারের সাহায্য নেয় যেটি একের পর এক পর্যায়ক্রমে সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড তৈরী করে তা হ্যাশ করে সার্ভারের হ্যাশের সাথে মিলাতে থাকে। আর এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে সঠিক পাসওয়ার্ডটি মিলে যাবার আগপর্যন্ত।
একটি উদাহরণ দেয়া যাক, যদি হ্যাকারের সফটওয়্যার অনুমান aaaa থেকে শুরু হয় আর তারপর aaab, তারপর aaac এবং এভাবে সেটা zzzz পর্যন্ত পরীক্ষা করে দেখতে থাকবে। এখানে ৪টি অক্ষরের জন্য এমনটা হবে। আর ধীরে ধীরে তার দৈর্ঘ্য কিন্তু বাড়তে থাকবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই প্রক্রিয়া চলতে কতটা সময় নেয়?
আরস টেকনিকা কয়েকজন হ্যাকারকে নিয়ে একটি পরীক্ষা চালায়। সেই পরীক্ষায় একজন সাধারণ হ্যাকার ১০,২৩৩টি পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে সক্ষম হন, তাতে সময় লাগে মাত্র ১৬ মিনিট। আর তাছাড়া এই প্রক্রিয়া পুরোটা হ্যাকারের উপর নির্ভর করে না, কারণ হ্যাকারের কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, ইন্টারনেট সংযোগ যত উন্নত হবে, প্রক্রিয়াটি তত দ্রুত কাজ করতে পারবে। কিন্তু পাসওয়ার্ডের অক্ষর সংখ্যা যত বেশি হবে, এতে সময় তত বেশি লাগবে। ব্রুট ফোর্স তাই কাজ করে ৮ অক্ষরের কম পাসওয়ার্ডে।